99babaa889e092e18f41069b31b49544-MrMoududAhmed
বাড়ি দখলের অভিযোগে করা মামলায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদের আবেদন আজ মঙ্গলবার খারিজ করেছেন হাইকোর্ট। ফলে মামলাটি বিচারিক আদালতে চলতে বাধা নেই। ওই মামলার অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে বিচারিক আদালতের দেওয়া আদেশ চ্যালেঞ্জ করে মওদুদ হাইকোর্টে আবেদন করেছিলেন।
বিচারপতি মো. মঈনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি জেবিএম হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এই আবেদন খারিজ করা হয়। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবী খুরশীদ আলম খান ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমকে বলেন, এই আদেশের ফলে নিম্ন আদালতে এই মামলা চলতে আর বাধা নেই।

মামলার আরজিতে উল্লেখ করা অভিযোগ অনুযায়ী, মওদুদ আহমদ ও তাঁর ভাই গুলশানের যে বাড়িটি ভোগদখল করে আসছেন, সেই বাড়িটি ১৯৬১ সালে পাকিস্তানি নাগরিক মো. এহসানের নামে তৎকালীন ডিআইটি (বর্তমানে রাজউক) দখল হস্তান্তর করে। পরে এহসানের আবেদনের ভিত্তিতে প্লটের মালিক হন তাঁর স্ত্রী ও অস্ট্রেলীয় বংশোদ্ভূত ইনজে মারিয়া ফ্ল্যাজ। মারিয়া ও তাঁর স্বামী এহসান মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানে চলে যান।

আরজিতে উল্লেখ করা হয়, ১৯৭৩ সালে সরকার ওই বাড়িটি পরিত্যক্ত সম্পত্তি হিসেবে ঘোষণা করে। কিন্তু মওদুদ আহমদ তাঁর ক্ষমতা ও প্রভাব খাটিয়ে লন্ডনপ্রবাসী ভাই মনজুর আহমদের নামে ১৯৭৩ সালের ২ আগস্ট তারিখের একটি ভুয়া আমমোক্তারনামা (পাওয়ার অব অ্যাটর্নি) তৈরি করে বাড়িটি সরকারের কাছ থেকে বরাদ্দ নেন। ১৯৭৭ থেকে ১৯৮৯ সালের মধ্যে বাড়িটি দখলের পূর্ণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) নথি অনুযায়ী, মওদুদ আহমদ ওই বাড়ির ভাড়াটিয়া। মারিয়া বা তাঁর স্বামী এহসান স্বাধীনতার পর বাংলাদেশে এসেছেন—এমন কোনো প্রমাণ নেই।

তুনতুন হাসানআইন-আদালত
বাড়ি দখলের অভিযোগে করা মামলায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদের আবেদন আজ মঙ্গলবার খারিজ করেছেন হাইকোর্ট। ফলে মামলাটি বিচারিক আদালতে চলতে বাধা নেই। ওই মামলার অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে বিচারিক আদালতের দেওয়া আদেশ চ্যালেঞ্জ করে মওদুদ হাইকোর্টে আবেদন করেছিলেন। বিচারপতি মো. মঈনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি জেবিএম হাসানের সমন্বয়ে গঠিত...