নিজস্ব প্রতিবেদক ।
ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার (ডিএমপি) মো. আছাদুজ্জামান মিয়া বলেছেন, ‘অমর একুশে বইমেলা ২০১৮’ উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলা একাডেমি, দোয়েল চত্ত্বর, শিশু একাডেমি, টিএসসি ও আশেপশের এলাকায় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে। খবর ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমের।

আজ মঙ্গলবার অমর একুশে বইমেলার নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শনকালে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে স্থাপিত অস্থায়ী পুলিশ কন্ট্রোল রুমের সামনে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, প্রতিবছরের মতো এবারো এই বইমেলাকে ঘিরে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। আগামী এ মামলা ফেব্রুয়ারি থেকে এ বই মেলা শুরু হচ্ছে। ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে। ফেব্রুয়ারি মাস জুড়ে বাংলা একাডেমি ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যান প্রাঙ্গণে চলবে এই অমর একুশে বইমেলা। বইমেলা চলাকালে এ নিরাপত্তা ব্যবস্থা বলবৎ থাকবে।

ধর্মীয় ও সাম্প্রদায়িক চেতনায় আঘাত করে এমন কোনো বই বইমেলায় কেউ আনতে পারবে না উল্লেখ করে ডিএমপি কমিশনার বলেন, বইমেলার ভেতরে ও বাহিরে পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ নিয়োজিত থাকবে। এছাড়া এবার পুলিশের গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। মেলা প্রাঙ্গনে সাদা পোষাকের পুলিশও সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করবে।

তিনি বলেন, স্ট্যান্ডবাই থাকবে সোয়াট, বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ও ডগ স্কোয়াড। মেলা প্রাঙ্গণ ডগ স্কোয়াড ও এসবি দিয়ে সুইপিং করানো হবে। তিনি বলেন, শাহবাগ, বকশি বাজার, নীলক্ষেতে ও দোয়েল চত্ত্বর ঘিরে থাকবে পুলিশে বহিঃবেষ্টনী নিরাপত্তা বলয়। বাংলা একাডেমি ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে থাকবে আন্তঃবেষ্টনী নিরাপত্তা ব্যবস্থা। উভয় বই মেলা চত্ত্বর সিসিটিভির আওতায় আনা হয়েছে।

কমিশনার বলেন, বই মেলাকে ঘিরে রয়েছে একাধিক ওয়াচ টাওয়ার, যেখান থেকে সার্বক্ষণিক একজন পুলিশ সদস্য দূরবীন দিয়ে দর্শনার্থীদের গতিবিধি লক্ষ্য রাখবে। কন্ট্রোল রুম থেকে মেলার ভিতরে ও চারপাশে সার্বক্ষণিক সিসিটিভি দিয়ে পর্যবেক্ষণিক করা হবে।

ইভটিজিং, অনাকাঙ্খিত ঘটনা, ছিনতাই ও পকেটমার প্রতিরোধে কাজ করবে পুলিশের বিশেষ টিম।

তিনি বলেন, অগ্নিনির্বাপণের জন্য থাকবে ফায়ার ইউনিট ও প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা। সেই সঙ্গে প্রতিটি বইয়ের স্টলে অগ্নি নির্বাপণ যন্ত্র রাখতে বলা হয়েছে।

তিনি বলেন, দোয়েল চত্ত্বর থেকে টিএসসি চত্ত্বর পর্যন্ত কোন গাড়ি চলাচল করতে দেয়া হবে না। শুধুমাত্র বাংলা একাডেমির স্টিকারযুক্ত গাড়ি প্রবেশ করতে পারবে। এই এলাকায় কোনো প্রকার হকার বা ভ্রাম্যমাণ দোকান প্রবেশ করতে পারবে না।

কমিশনার বলেন, যাতে করে কোনো প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সেজন্য মেলায় প্রবেশ ও বাহিরের জন্য থাকবে আলাদা গেট। প্রত্যেক দর্শনার্থীকে আর্চওয়ে ও মেটাল ডিটেক্টর দ্বারা তল্লাশির মাধ্যমে মেলায় প্রবেশ করানো হবে।

তিনি বলেন, যদি কোনো লেখক ও প্রকাশকের বিশেষ নিরাপত্তার প্রয়োজন হয় তাহলে মেলায় স্থাপিত পুলিশ কন্ট্রোল রুমে যোগাযোগ করলে তাদের নিরাপত্তা প্রদান করা হবে।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, বইমেলায় কোনো প্রকার ব্যাগ, ব্যাগ প্যাক, ভ্যানিটি ব্যাগ, ট্রলি ব্যাগ, দাহ্য পদার্থ, ধারালো অস্ত্র, আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে আসা যাবে না। নিরাপত্তার স্বার্থে পুলিশের তল্লাশি কাজে সহযোগিতা করার জন্য নগরবাসীকে আহ্বান জানান ডিএমপি কমিশনার।

যানবাহনসমূহ (দোয়েল চত্ত্বর কেন্দ্রিক) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জিমনেশিয়াম মাঠ, মোকাররম ভবন মাঠ ও দোয়েল চত্ত্বর ক্রসিং হতে শহিদুল্লাহ হল পর্যন্ত রাস্তার দুই পাশে এক লেনে এবং (টিএসসি কেন্দ্রিক) রেজিস্ট্রার ভবন (মলচত্ত্বর) মাঠ, ফুলার রোড রাস্তার দুই পাশে এক লেনে পার্কিং করার জন্য ডিএমপি’র পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হয়েছে। বাসস
খবর ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমের।

http://crimereporter24.com/wp-content/uploads/2018/01/664.jpghttp://crimereporter24.com/wp-content/uploads/2018/01/664-300x300.jpgজান্নাতুল ফেরদৌস মেহরিনজাতীয়
নিজস্ব প্রতিবেদক । ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার (ডিএমপি) মো. আছাদুজ্জামান মিয়া বলেছেন, ‘অমর একুশে বইমেলা ২০১৮’ উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলা একাডেমি, দোয়েল চত্ত্বর, শিশু একাডেমি, টিএসসি ও আশেপশের এলাকায় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে। খবর ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমের। আজ মঙ্গলবার অমর একুশে বইমেলার নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শনকালে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে...