1438426562
নারায়ণগঞ্জের বহুল আলোচিত সাত খুনের সাথে লে. কমান্ডার (অব.) এম. এম রানা জড়িত নন বলে দাবি করেছে তার পরিবার। শনিবার দুপুরে খুলনা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এম.এম. রানার পরিবারের পক্ষ থেকে এ দাবি করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে রানার স্ত্রী নূর-এ-হাফজা বলেন, “র‌্যাবের মতো একটি সুশৃঙ্খল বাহিনীকে চেইন অব কমান্ড অনুসারে কাজ করতে হয়। ঊর্ধতন কর্তৃপক্ষের বৈধ আদেশ অধস্তন কর্তৃপক্ষের অমান্য করার কোন সুযোগ নেই। নারায়ণগঞ্জের ওই গ্রেফতারের আদেশটি অধিনায়ক লে. কর্নেল তারেক সাঈদ কোম্পানি কমান্ডারদের সম্মেলনে অপারেশন অফিসার হিসাবে মেজর আরিফের ওপর দায়িত্ব দেন। সিও’র নির্দেশে মেজর আরিফের অভিযানে লে. কমান্ডার (অব.) এম. এম রানা সহায়তা করেন মাত্র।”

তিনি বলেন, “নারায়ণগঞ্জের ওই মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি দীর্ঘ এক বছর তদন্তের পর তদন্তকারী কর্মকর্তা কোনরূপ সাক্ষ্য প্রমাণ ব্যতীত এম. এম রানার বিরুদ্ধে কথিত অপহরণের সহযোগিতার অভিযোগে আসামি করেন। তাছাড়া ফৌজদারী কার্যবিধির ১৬৪ ধারার জবানবন্দিতেও এম. এম রানা কোনরূপ নিজেকে জড়িয়ে ‘অপহরণ ও হত্যার’ সহায়তার দোষ স্বীকার করেননি। এমনকি কমান্ডিং অফিসার লে. কর্নেল তারেক সাঈদ ও অপারেশন অফিসার মেজর আরিফ তাদের জবানবন্দিতেও এম. এম রানাকে জড়িয়ে কোন বক্তব্য দেননি। তাহলে কেন একজন নিরপরাধ ব্যক্তিকে বছরের পর বছর কারাবন্দি রেখে পুরো পরিবারটিকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়া হচ্ছে?”

রানার স্ত্রী জানান, তার স্বামী বাংলাদেশ নৌ বাহিনীর একজন অফিসার (ছিলেন)। রানার পিতার মৃত্যুর পর তিনিই পরিবারের একমাত্র উপার্যনক্ষম ব্যক্তি। কিন্তু তাকে কোন প্রকার আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়ে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়। ফলে পুরো পরিবারটি এখন ধ্বংসের মুখে পড়েছে। এতে তিনি সাড়ে তিন বছরের কন্যা সস্তান নিয়ে আত্মীয়-স্বজনের দ্বারস্থ হয়েছেন। রানার ছোট ভাইয়ের পড়াশুনা বন্ধের পথে। বৃদ্ধ মা যেমন সন্তানের এ দুরাবস্থায় পাগলপ্রায়। একমাত্র শিশু সস্তানটিও পিতার স্নেহ-মমতা থেকে বঞ্চিত। তার ভবিষ্যৎ নিয়েও শংকা দেখা দিয়েছে।

এ অবস্থায় রানার পরিবার সুবিচার চায়। এজন্য বর্তমান সরকার প্রধান শেখ হাসিনার সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে রানার মা কোহিনুর বেগম, একমাত্র কন্যা মারিয়া আলভিনা, শ্বশুর এস. এম জামাল উদ্দিন এবং সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ফরহাদ আব্বাস উপস্থিত ছিলেন।

হীরা পান্নাশেষের পাতা
নারায়ণগঞ্জের বহুল আলোচিত সাত খুনের সাথে লে. কমান্ডার (অব.) এম. এম রানা জড়িত নন বলে দাবি করেছে তার পরিবার। শনিবার দুপুরে খুলনা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এম.এম. রানার পরিবারের পক্ষ থেকে এ দাবি করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে রানার স্ত্রী নূর-এ-হাফজা বলেন, 'র‌্যাবের মতো একটি সুশৃঙ্খল বাহিনীকে চেইন...