image_272459.hilsha1
ইলিশ রক্ষায় ডিম ছাড়ার প্রধান প্রজনন মৌসুমে শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) ঈদের দিন থেকে আগামী ১৫ দিন (৯ অক্টোবর পর্যন্ত) ইলিশ ধরা ও বিক্রি নিষিদ্ধ থাকবে।
অন্যান্য বছর এ সময় ১১ দিন হলেও এবার ১৯৮৫ সালের মাছ রক্ষা ও সংরক্ষণ বিধি (প্রটেকশন এ্যান্ড কনজারভেশন ফিস রুলস, ১৯৮৫) সংশোধন করে এ সময় ৪ দিন বাড়ানো হয়েছে।
আগের নিয়ম অনুযায়ী, চন্দ্রমাসের ভিত্তিতে প্রধান প্রজনন মৌসুম ধরে প্রতি বছর আশ্বিনী প্রথম চাঁদের পূর্ণিমার দিন এবং এর আগে ও পরের পাঁচদিন করে মোট ১১ দিন ইলিশ ধরা বন্ধ থাকত।
এ বছর আশ্বিনী পূর্ণিমার দিন ও এর আগে তিন দিন ছাড়াও পূর্ণিমার পর ১১ দিন ইলিশ মাছ ধরা ও বিক্রি নিষিদ্ধ থাকবে।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমকে জানান, অন্যান্য বছর নিষিদ্ধের সময় ১১ দিন পর মা ইলিশ মাছ সমুদ্রে ফিরে যাওয়ার সময় ধরা পড়ত। এজন্য এ সময় চারদিন বাড়ানো হয়েছে।
মৎস্য বিভাগ, কোস্ট গার্ড, নৌ-বাহিনী, স্থানীয় প্রশাসন, র‌্যাব, পুলিশের সমন্বয়ে ইলিশ মাছ ধরা ও বেচাকেনা প্রতিরোধ করা হবে বলেও জানান ওই কর্মকর্তা।
এছাড়া মা মাছ রক্ষায় মাঠ পর্যায়ের কার্যক্রম তদারকি ও সমন্বয়ের জন্য এ ১৫ দিন ইলিশ সমৃদ্ধ জেলা ও উপজেলায় কর্মরত মৎস্য অধিদফতরের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে।
সরকার নির্ধারিত ১৫ দিন ইলিশ ধরা ও বিক্রির পাশাপাশি সরবরাহ ও মজুদও নিষিদ্ধ থাকবে। এ আদেশ অমান্য করলে এক মাস থেকে সর্বোচ্চ ছয় মাস পর্যন্ত কারাদ- এবং এক হাজার টাকা জরিমানা গুণতে হয়। তবে এর পরে প্রত্যেকবার অপরাধের জন্য দ্বিগুণ হারে শাস্তি ভোগ করতে হয়।

http://crimereporter24.com/wp-content/uploads/2015/09/image_272459.hilsha1.jpghttp://crimereporter24.com/wp-content/uploads/2015/09/image_272459.hilsha1-300x300.jpgহীরা পান্নাপ্রথম পাতা
ইলিশ রক্ষায় ডিম ছাড়ার প্রধান প্রজনন মৌসুমে শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) ঈদের দিন থেকে আগামী ১৫ দিন (৯ অক্টোবর পর্যন্ত) ইলিশ ধরা ও বিক্রি নিষিদ্ধ থাকবে। অন্যান্য বছর এ সময় ১১ দিন হলেও এবার ১৯৮৫ সালের মাছ রক্ষা ও সংরক্ষণ বিধি (প্রটেকশন এ্যান্ড কনজারভেশন ফিস রুলস, ১৯৮৫) সংশোধন করে এ সময়...