1439197451
বেশ কয়েক দফা তারিখ পেছানোর পর অবশেষে সোমবার দুপুর ১টার দিকে ১৫৯ জন অভিবাসীকে ফেরত দিয়েছে মিয়ানমার। মালয়েশিয়া যাওয়ার পথে মিয়ানমার উপকূলে দেশটির নৌবাহিনী ভাসমান অবস্থায় দু’দফায় ৯৩৫ জন যাত্রীকে উদ্ধার করে তাদের হেফাজতে নিয়ে যায়। পরে মিয়ানমার বর্ডার গার্ড পুলিশ (বিজিপি) ও বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বিজিবি’র উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দলের মধ্যে দফায় দফায় পতাকা বৈঠক হয়। এসব উদ্ধার করা অভিবাসীদের যাচাই বাছাইয়ের পর বাংলাদেশি নাগরিকদের চিহ্নিত করে ফেরত দিতে সম্মত হলে অভিবাসী ফেরতের কার্যক্রম শুরু হয়।

এর আগে ৩ দফায় ৩৪২ জন অভিবাসীকে ফেরত দিয়েছে মিয়ানমার।
সোমবার সকাল ১০টায় মিয়ানমার সীমান্তের ঢেঁকিবনিয়া বিজিপি ক্যাম্পে সেদেশের ইমিগ্রেশন ডিপার্টমেন্টের উপপরিচালক সো নাইন এর নেতৃত্বে ১৩ সদস্যের বিজিপি প্রতিনিধির সমন্বয়ে পতাকা বৈঠক হয়। এ সময় বাংলাদেশের বর্ডার গার্ড কক্সবাজার ১৭ বিজিবির অধিনায়ক মো. রবিউল ইসলামের নেতৃত্বে ১০ সদস্যের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।

১০টা থেকে প্রায় দুপুর ১টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত পতাকা বৈঠকে দু’দেশের সীমান্ত এলাকা নিয়ে পারস্পরিক বন্ধুত্বসুলভ মনোভাব নিয়ে দায়িত্ব পালন করার জন্য উভয়পক্ষ সম্মত হয়। পাশাপাশি চোরাচালান ও অনুপ্রবেশ প্রতিরোধেও বিজিবির পক্ষ থেকে জোরালো দাবি উত্থাপন করা হলে উভয়পক্ষের মধ্যে ফলপ্রসূ আলোচনা শেষে ১৫৯ জন অভিবাসীকে হস্তান্তর করে। পরে বিজিবির প্রহরায় অভিবাসীরা সীমান্তের ঘুমধুম জিরো পয়েন্টের লাল ব্রিজ পার হয়ে তাদের জন্য অপেক্ষমান গাড়িতে উঠানো হয়। সেখান থেকে অভিবাসীদের কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এসব অভিবাসীদের যাচাই বাছাই শেষে জেলা প্রশাসক কক্সবাজার মডেল থানা পুলিশের মাধ্যমে স্ব স্ব এলাকার পরিবার অথবা অভিবাসীদের আত্মীয় স্বজনের নিকট হস্তান্তর করা হবে বলে জানিয়েছেন কক্সবাজার ১৭ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. রবিউল ইসলাম।

মিয়ানমার থেকে ফেরত আসা ১০ জেলার ১৫৯ জন অভিবাসীর মধ্যে নরসিংদীর ৮০ জন, নারায়ণগঞ্জের ১২ জন, কিশোরগঞ্জের ১৩ জন, ফরিদপুরের ১২ জন, হবিগঞ্জের ১৭ জন, নওগার ২জন, নাটোরের ১ জন, শরিয়তপুরের ১ জন, বরিশালের একজনসহ চট্টগ্রামের ১৮ জন রয়েছে বলে বিজিবি সূত্রে জানা গেছে।

অভিবাসী হস্তান্তরকালে উপস্থিত ছিলেন বিজিবির সেক্টর কমান্ডার আনিসুর রহমান, কক্সবাজার ১৭ বিজিবির উপঅধিনায়ক ইমরান উল্লাহ সরকার, কক্সবাজার গোয়েন্দা বিভাগের পুলিশ কর্মকর্তা মোহাম্মদ ফারুক ছাড়াও জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা ও গোয়েন্দা সংস্থার লোকজন।

এ সময় আইওএম এর কর্মকর্তা আশিক মনির ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমকে জানান, এ পর্যন্ত ৫০১ জন বাংলাদেশি অভিবাসীকে ফেরত আনা হয়েছে। আরও ৪ শতাধিক অভিবাসীকে ফেরত নিয়ে আসার কার্যক্রম চলছে।

সুরুজ বাঙালীপ্রথম পাতা
বেশ কয়েক দফা তারিখ পেছানোর পর অবশেষে সোমবার দুপুর ১টার দিকে ১৫৯ জন অভিবাসীকে ফেরত দিয়েছে মিয়ানমার। মালয়েশিয়া যাওয়ার পথে মিয়ানমার উপকূলে দেশটির নৌবাহিনী ভাসমান অবস্থায় দু’দফায় ৯৩৫ জন যাত্রীকে উদ্ধার করে তাদের হেফাজতে নিয়ে যায়। পরে মিয়ানমার বর্ডার গার্ড পুলিশ (বিজিপি) ও বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বিজিবি’র উচ্চ পর্যায়ের...