1_164152
মিনায় পদদলিত হয়ে ৭১৭ জনের মৃত্যুর ঘটনাকে আল্লাহর ইচ্ছা বলে মন্তব্য করেছেন সৌদি আরবের স্বাস্থ্যমন্ত্রী খালিদ আল-ফালিহ।

শুক্রবার সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘হাজিরা কর্তৃপক্ষের নির্দেশ না মানার কারণেই এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। যাহোক এটা আল্লাহর ইচ্ছা। তবে এ ব্যাপারে তদন্ত শুরু হয়েছে। দ্রুত দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধান করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তদন্তকারী দলকে।’

তবে সৌদি স্বাস্থ্যমন্ত্রীর এ বক্তব্য মানতে নারাজ অনেকে।

ইউকে হজ ও ওমরাহ ভ্রমণ ট্যুরের উপদেষ্টা মোহাম্মদ জাফরি বলেন, সৌদি যুবরাজের বিশাল নিরাপত্তা বহরে সেনা ও পুলিশসহ সাড়ে ৩শ’র বেশি নিরাপত্তাকর্মী ছিল। যারা শয়তানের দিকে পাথর মারতে যাওয়া হাজিদের সরিয়ে দিয়ে রাস্তা করে যুবরাজকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল। তাদের ধাক্কাধাক্কিতেই হাজিরা পড়ে গেলে এ দুর্ঘটনাটি ঘটে।

তিনি বলেন, যুবরাজের সুবিধা ও নিরাপত্তার জন্য পাথর ছুঁড়তে যাওয়ার ৫টি পথের মধ্যে দুটো বন্ধ করে দেওয়া হয়। এতে অন্য পথগুলোতে ভিড় বেড়ে যায়।

তিনি বলেন, দুর্যোগকে সৌদিরা ‘আল্লাহর ইচ্ছা’ বলে। এটা আল্লাহর ইচ্ছা নয়। এটা মানুষের অযোগ্যতা ফল।

৪৫ বছর বয়সী আহমেদ আবু বকর নামে এক লিবিয়ান হাজি বলেন, হাজিদের কয়েকটি প্রবেশ ও প্রস্থান পথ বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল। এ ঘটনার জন্য পুলিশ ও সৌদি সরকার দায়ী।

মিনায় শয়তানের উদ্দেশে পাথর নিক্ষেপের সময় বৃহস্পতিবার পদদলিত হয়ে নিহত হয়েছেন ৭১৭ জন হাজি। আহত হয়েছেন আরো অন্তত ৮৬৩ জন। গত পঁচিশ বছরের মধ্যে এটি সবচেয়ে ভয়াবহ হজ-দুর্ঘটনা।

অর্ণব ভট্টআন্তর্জাতিক
মিনায় পদদলিত হয়ে ৭১৭ জনের মৃত্যুর ঘটনাকে আল্লাহর ইচ্ছা বলে মন্তব্য করেছেন সৌদি আরবের স্বাস্থ্যমন্ত্রী খালিদ আল-ফালিহ। শুক্রবার সাংবাদিকদের তিনি বলেন, 'হাজিরা কর্তৃপক্ষের নির্দেশ না মানার কারণেই এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। যাহোক এটা আল্লাহর ইচ্ছা। তবে এ ব্যাপারে তদন্ত শুরু হয়েছে। দ্রুত দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধান করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে...