92781_lead
তুরস্ক থেকে নৌকায় করে গ্রিসে যাবার পথে একটি নৌকা ডুবে ৪ শিশু সহ অন্তত ১৩ জন শরণার্থী নিহত হয়েছেন। তবে ওই নৌকা থেকে ২০৫ জন শরণার্থীকে জীবিত উদ্ধার করেছে তুর্কি কোস্টগার্ড। গ্রিসের কোস দ্বীপের উদ্দেশ্যে তুরস্কের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের উপকূলীয় শহর ডাটকা থেকে রওনা দিয়েছিল নৌকাটি। ওদিকে হাঙ্গেরিতে যাতে আর কোন শরণার্থী প্রবেশ করতে না পারে সে জন্য জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। পুলিশকে দেয়া হয়েছে বিশেষ ক্ষমতা। প্রতিবাদে অনশন শুরু করেছেন অভিবাসীরা। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি ও অনলাইন বিবিসি। ওই নৌকার যাত্রীদের পরিচয় এখনও জানা যায়নি। তবে উদ্ধারাভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রিসে যাবার জন্য সিরিয়া, আফগানিস্তান, পাকিস্তান ও আফ্রিকা থেকে প্রচুর মানুষ তুরস্কে যাচ্ছে। গ্রিস থেকে ইইউভুক্ত কোনো দেশে প্রবেশ করাই তাদের আশা। সম্প্রতি তুর্কির এক সৈকতে ৩ বছর বয়সী সিরিয়ান শরণার্থী আয়লান কুর্দির মৃতদেহ পড়ে থাকার ছবি সারাবিশ্বে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে। আয়লান তার পরিবারের সঙ্গে কোস দ্বীপে পৌঁছতে চেয়েছিল। কিন্তু নৌকাডুবিতে এক ভাই ও মা সহ সে মারা যায়। এ ঘটনায় গোটা ইউরোপ জুড়ে প্রতিবাদের ঝড় দেখা যায়। ভূমধ্যসাগর হয়ে ইউরোপে পাড়ি জমাতে চাওয়া শরণার্থীদের স্রোত এখনও কমেনি।

তাহসিনা সুলতানাআন্তর্জাতিক
তুরস্ক থেকে নৌকায় করে গ্রিসে যাবার পথে একটি নৌকা ডুবে ৪ শিশু সহ অন্তত ১৩ জন শরণার্থী নিহত হয়েছেন। তবে ওই নৌকা থেকে ২০৫ জন শরণার্থীকে জীবিত উদ্ধার করেছে তুর্কি কোস্টগার্ড। গ্রিসের কোস দ্বীপের উদ্দেশ্যে তুরস্কের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের উপকূলীয় শহর ডাটকা থেকে রওনা দিয়েছিল নৌকাটি। ওদিকে হাঙ্গেরিতে যাতে আর...