88510_thumb_f7
একের পর এক অঘটন। সন্ত্রাসে জেরবার ৫৬ হাজার বর্গমাইল। বেশিরভাগ ঘটনায় অভিযুক্ত সরকারি দলের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা। কেউ আওয়ামী লীগ, কেউ যুবলীগ, কেউ ছাত্রলীগ পরিচয়ে পরিচিত। এ অবস্থার হঠাৎ করেই কঠোর অবস্থান নিয়েছে সরকার। নিজ দলের সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধেও নেয়া হচ্ছে কঠোর ব্যবস্থা। দু’ দিনে ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট তিন জন ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার রাতে র‌্যাবের সঙ্গে বর্ণিত বন্দুকযুদ্ধে মারা যান হাজারীবাগ থানা ছাত্রলীগের সভাপতি আরজু মিয়া। পিটিয়ে এক কিশোরকে হত্যার মামলার প্রধান আসামি ছিলেন তিনি। ওদিকে, মাগুরায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হন মেহেদী হাসান ওরপে আজিজুর শেখ। মাতৃগর্ভে শিশুকে গুলি করার বহুল আলোচিত মামলায় অন্যতম অভিযুক্ত ছিলেন তিনি। আজিজুর শেখ ছাত্রলীগের সাবেক নেতা। সর্বশেষ বুধবার রাতে কুষ্টিয়ায় পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছেন জাকির হোসেন। শোকদিবসের দিন কুষ্টিয়ায় ক্ষমতাসীন দল সমর্থিত দু গ্রুপের সংঘর্ষে একজন নিহত হওয়ার মামলার সন্দেহভাজন আসামি ছিলেন তিনি।
সরকারের এই হার্ডলাইন নিয়ে ক্ষমতাসীন দলের নেতাদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। হাজারীবাগ থানা আওয়ামী লীগ আরজু মিয়া হত্যার প্রতিবাদ জানিয়েছে। ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমকে বলেছেন, বিচার বহির্ভুত এ হত্যা কোনভাবেই মেনে নেয়া যায় না। তবে সড়ক পরিবহন মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ওবায়দুল কাদের বলেছেন, সরকার কঠোর অবস্থান নিয়েছে। অ্যাকশন শুরু হয়ে গেছে। খুব দ্রুত এই প্রবণতা কমে যাবে। ইতিমধ্যেই তারা বার্তা পেয়ে গেছে। সূত্র জানায়, দলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নানা ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড সরকারকে বিব্রত করেছে। নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে আলোচনার পর এসব ব্যাপারে হার্ডলাইনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। সিদ্ধান্তের বিষয়টি দেশের আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিভিন্ন পর্যায়েও এরইমধ্যে জানিয়ে দেয়া হয়েছে। এরপরই আইন শৃঙ্খলা বাহিনী অ্যাকশনে নেমে পড়ে। অনেকেই মনে করেন, উদ্ভুত পরিস্থিতিতে সরকারের সামনে আর কোন বিকল্প ছিল না। সন্ত্রাসের লাগাম টেনে ধরতে কঠোর পদক্ষেপই প্রয়োজন ছিল। যদিও কেউ কেউ মনে করেন, ক্রসফায়ার শেষ পর্যন্ত কোন সুফল বয়ে আনে না। স্বল্প মেয়াদে তা কার্যকর মনে হলেও দীর্ঘ মেয়াদে তা বিচারহীনতার সংস্কৃতির জন্ম দেয়। দ্রুত বিচারকেই সর্বোত্তম সমাধান মনে করেন তারা।

বাহাদুর বেপারীপ্রথম পাতা
একের পর এক অঘটন। সন্ত্রাসে জেরবার ৫৬ হাজার বর্গমাইল। বেশিরভাগ ঘটনায় অভিযুক্ত সরকারি দলের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা। কেউ আওয়ামী লীগ, কেউ যুবলীগ, কেউ ছাত্রলীগ পরিচয়ে পরিচিত। এ অবস্থার হঠাৎ করেই কঠোর অবস্থান নিয়েছে সরকার। নিজ দলের সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধেও নেয়া হচ্ছে কঠোর ব্যবস্থা। দু’ দিনে ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট তিন...