1439111612
প্রযুক্তির এই যুগে স্মার্টফোনের দিকে ঝুঁকছে মানুষ। বিশেষ করে তরুণ ও কিশোরদের মধ্যে এই ঝোঁক সবচেয়ে বেশি। আর এই ঝোঁকের বশে নিজের শরীরের রক্ত বিক্রি করতেও দ্বিধা করছে না। শুনতে অবাক হলেও এরকম ঘটনা ঘটেছে ভারতের উত্তরপ্রদেশে। রবিবার এমন তথ্যই জানিয়েছে ওয়ান ইন্ডিয়া।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্মার্টফোন ও অতিরিক্ত পকেট মানির আশায় উত্তরপ্রদেশের কোহলি ব্লাড ব্যাংকে বেআইনিভাবে ৫০০ টাকায় ইউনিট প্রতি রক্ত বিক্রি করতে গিয়ে তিন নাবালক ধরা পড়েছে। এই ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পাশাপাশি তালা লাগিয়ে দেয়া হয়েছে ব্লাডব্যাঙ্কটিতেও।

রক্ত বিক্রি করতে যাওয়া এক বালক স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের জানিয়েছে, কয়েকদিন ধরে সে একটি মোবাইল ফোন কেনার জন্য টাকা জমাতে শুরু করে। সেসময় এই ব্লাড ব্যাঙ্ক থেকে একজন ফোন করে তাকে টাকার বিনিময়ে রক্ত দেওয়ার প্রস্তাব দেয়। অতিরিক্ত টাকা পাওয়া যাবে, এই লোভেই সে রাজি হয়ে যায়।

ঐ বালক জানিয়েছে, দারিদ্রের সংসার তাদের। বাবা মারা যাওয়ার পর মা একটি ক্লিনিতে তিন হাজার টাকার বিনিময়ে চাকরি করেন। মাকে সাহায্য করতে সেও একটি ছোটখাটো কাজ করে। কিন্তু দুজনের উপার্জনে পাঁচজনের সংসার টানাটা খুবই কষ্টকর হয়ে দাঁড়ায়। গজনি নামে এই ব্যক্তি টাকার লোভ দেখাতেই আর সে দ্বিতীয়বার আর ভাবেনি।

রক্ত দেওয়ার আইনত বয়স ১৮ বছর এবং রক্তদাতার রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা কমপক্ষে ১৩ হতে হবে। কিন্তু স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানতে পেরেছেন, যে তিনজন দিয়েছে তাদের বয়স ১৮ বছরের কম এবং রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা ১৩-র নিচে।

ঐ বালকের পাশাপাশমি আরো এক বালকে এই ব্লাড ব্যাংকে রক্ত দেয়। এর আগে আরো দুইবার রক্ত দিয়েছে সে। সে জানিয়েছে, মাকে সাহায্য করার জন্য এক বছর ধরে চাকরি খুঁজছিল। তখনই এই প্রস্তাব মেলে। রক্ত বিক্রি করে তার পকেটমানি চালানোর মতো টাকা ভালই আসছিল। তাই সে এই কাজে রাজি হয়। তৃতীয় কিশোরের বাবা তাকে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে দেননি।

হাসন রাজাশেষের পাতা
প্রযুক্তির এই যুগে স্মার্টফোনের দিকে ঝুঁকছে মানুষ। বিশেষ করে তরুণ ও কিশোরদের মধ্যে এই ঝোঁক সবচেয়ে বেশি। আর এই ঝোঁকের বশে নিজের শরীরের রক্ত বিক্রি করতেও দ্বিধা করছে না। শুনতে অবাক হলেও এরকম ঘটনা ঘটেছে ভারতের উত্তরপ্রদেশে। রবিবার এমন তথ্যই জানিয়েছে ওয়ান ইন্ডিয়া। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্মার্টফোন...