1438854464
আইনবিদ ও সংবিধান প্রণেতা ড. কামাল হোসেন বলেছেন, স্নায়ু যুদ্ধকালীন বিশ্ব-রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয় ছিল নজির সৃষ্টিকারী ঘটনা। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সংসদীয় গণতন্ত্র, সাংবিধানিক শাসনে আজীবন বিশ্বাসী ছিলেন বলে স্বাধীনতার দশ মাসের মধ্যে ’৭২ এর সংবিধান, সংসদীয় গণতন্ত্র ও পনের মাসের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব হয়েছিল।

বৃহস্পতিবার দুপুরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয় শীর্ষক কোর্সের ওপর কলেজ শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ কর্মশালার ১০ম দিনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এসব কথা বলেন তিনি।

ড. কামাল হোসেন বলেন, যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশকে দ্রুত পুনর্গঠিত করে বঙ্গবন্ধু যখন দেশের সার্বিক উন্নয়নে এগিয়ে যাচ্ছিলেন, ঠিক সে সময়ে মুক্তিযুদ্ধের পরাজিত দেশি-বিদেশি চক্র ষড়যন্ত্রের আশ্রয় নিয়ে ১৯৭৫ এর ১৫ই আগস্ট জাতির জনককে সপরিবারে হত্যা করে।

বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মাধ্যমে তারা কার্যত মুক্তিযুদ্ধের চেতনা তথা বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে হত্যা করতে চেয়েছিল। ১৫ই আগস্টের হত্যাকাণ্ড সংঘটিত না হলে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে বহু পূর্বেই আমরা উন্নত দেশে পরিণত হতে সক্ষম হতাম। বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হলেও ঘাতক-খুনি চক্র তাঁর আদর্শকে যে হত্যা করতে পারেনি, তা আজ প্রমাণিত।

বাহাদুর বেপারীজাতীয়
আইনবিদ ও সংবিধান প্রণেতা ড. কামাল হোসেন বলেছেন, স্নায়ু যুদ্ধকালীন বিশ্ব-রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয় ছিল নজির সৃষ্টিকারী ঘটনা। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সংসদীয় গণতন্ত্র, সাংবিধানিক শাসনে আজীবন বিশ্বাসী ছিলেন বলে স্বাধীনতার দশ মাসের মধ্যে ’৭২ এর সংবিধান, সংসদীয় গণতন্ত্র ও পনের মাসের মধ্যে...