1438923539
নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ি দেওটি ইউনিয়নে আমিরাবাদ গ্রামে বৃহস্পতিবার রাতে জনতার হাতে গণধোলাইয়ে সন্ত্রাসী ও মৃতুদণ্ডদেশ প্রাপ্ত পলাতক আসামি মানিক (৩৮) নিহত হয়েছেন। তিনি বেগমগঞ্জের দহরপাড়া গ্রামের গোলাম রহমানের ছেলে।

ঘটনার সময় মানিককে তার নানার বাড়ির সামনে জনতা আটক করে গণধোলাই দিয়ে চোখ উপড়ে ফেলে এবং হাত পায়ের রগ কেটে দেয়। খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মানিককে উদ্ধার করে বজরা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

লক্ষ্মীপুরের প্রতাপগঞ্জ হাই স্কুলের এক ছাত্রীকে ২০১০ সালে ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায়ে মানিককে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেয়া হয়েছিল। এরপর থেকে পুলিশের চোখ আড়াল করে লক্ষ্মীপুর সদর নোয়াখালী বেগমগঞ্জ সোনাইমুড়িতে বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করে আসছিলেন তিনি। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় অনেক মামলা রয়েছে। তার মৃতদেহ ময়না তদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) জয়দেব কুমার ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমকে জানান, মানিক একজন সন্ত্রাসী এবং মৃতুদণ্ডদেশ প্রাপ্ত আসামি। ময়নাতদন্তের পর তার লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

তাহসিনা সুলতানাস্বদেশের খবর
নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ি দেওটি ইউনিয়নে আমিরাবাদ গ্রামে বৃহস্পতিবার রাতে জনতার হাতে গণধোলাইয়ে সন্ত্রাসী ও মৃতুদণ্ডদেশ প্রাপ্ত পলাতক আসামি মানিক (৩৮) নিহত হয়েছেন। তিনি বেগমগঞ্জের দহরপাড়া গ্রামের গোলাম রহমানের ছেলে। ঘটনার সময় মানিককে তার নানার বাড়ির সামনে জনতা আটক করে গণধোলাই দিয়ে চোখ উপড়ে ফেলে এবং হাত পায়ের...