1442662268
খুলনা নগরের সেপটিক ট্যাংক থেকে বাবা ও মেয়ের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল শুক্রবার নগরীর বুড়ো দরগা এলাকায় এ দুজনের লাশ উদ্ধার করা হয়।

বাবার নাম ইলিয়াস হোসেন(৭০) ও মেয়ের নাম পারভিন সুলতানা (২৬)। পারভিন সুলতানা একটি বেসরকারি ব্যাংকের কর্মকর্তা।

এই ঘটনায় এখনো পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। আজ দুপুর পর্যন্ত কোনো মামলাও করা হয়নি। সকালে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ (কেএমপি) কমিশনার নিবাস চন্দ্র মাঝি ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

মৃত ইলিয়াস হোসেনের চার সন্তান। পারভিন চাকরিসুত্রে ওই বাড়িতে বাবাকে নিয়ে থাকতেন। মৃত পারভিনের একমাত্র ভাই রেজাউল ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমকে জানান, গতকাল রাতে তাঁর আরেক বোন নার্গিস ঢাকা থেকে ফোন করে বলেন, পারভীন ও বাবার ফোন বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। পিকচার প্যালেস মোড় থেকে এক প্রতিবেশীকে সঙ্গে নিয়ে তিনি বাড়িতে যান। মূল ফটকে তালা দেখেন। পরে খুঁজতে খুঁজতে বাড়ির সেপটিক ট্যাংকে তাঁদের লাশ পান। পাশাপাশি দুটি ট্যাংকে দুজনের লাশ পাওয়া যায়। দুজনের গলায় ওড়না প্যাঁচানো ছিল।

রেজাউল আরো জানান গত রোজার ঈদেও এই বাড়িতে চুরি হয়েছে। সে সময় লবনচরা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন তাঁরা।
পারভিন সুলতানার স্বামী আশিকুর রহমান ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমকে বলেন, বাড়ির ঘরে জিনিসপত্র এলোমেলো ছিল। দুর্বৃত্তরা ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা ও পাঁচ-ছয় ভরি স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে গেছেন বলে তাঁর দাবি। ঈদের পরই পারভীনকে নিয়ে ঢাকায় স্থায়ী হওয়ার কথা ছিল বলে তিনি জানান।

লবনচরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশারফ হোসেনের ভাষ্য, প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে শ্বাসরোধ করে তাঁদের হত্যা করা হয়েছে। লাশ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে আছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন না পাওয়া পর্যন্ত কিছু বলা যাচ্ছে না।

তাহসিনা সুলতানাস্বদেশের খবর
খুলনা নগরের সেপটিক ট্যাংক থেকে বাবা ও মেয়ের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল শুক্রবার নগরীর বুড়ো দরগা এলাকায় এ দুজনের লাশ উদ্ধার করা হয়। বাবার নাম ইলিয়াস হোসেন(৭০) ও মেয়ের নাম পারভিন সুলতানা (২৬)। পারভিন সুলতানা একটি বেসরকারি ব্যাংকের কর্মকর্তা। এই ঘটনায় এখনো পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। আজ...