89495_x6
১৯৬৮ সালের জুন মাস। আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তখন কারাগারে। মামলা পরিচালনার জন্য তহবিল সংগ্রহ করছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা তাজউদ্দিন আহমেদ। তরুণ ব্যবসায়ী ও আওয়ামী লীগ কর্মী আবদুর রহিমকে তহবিল সংগ্রহের কথা জানান তিনি। বলেন, মামলা পরিচালনার জন্য বৃটিশ আইনজীবী টমাসকে নিয়োগ দিয়েছি। এর জন্য ১০ হাজার টাকা প্রয়োজন। বঙ্গবন্ধু-ভক্ত আবদুর রহিম চলে আসেন গ্রামের বাড়িতে। মা-বোনের গয়না বিক্রি করে ৫০০ টাকা যোগাড় করেন। এরপর ঢাকায় ফিরে ওই টাকা তুলে দেন তাজউদ্দিন আহমেদের হাতে। তৎকালীন আওয়ামী লীগের তহবিলে সহায়তা দানকারী আবদুর রহিম আজ নিজেই ভুগছেন অর্থকষ্টে। জটিল রোগে আক্রান্ত হয়ে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়েছেন সত্তরোর্ধ্ব এই বৃদ্ধ। হারাতে বসেছেন দৃষ্টিশক্তিও। ২০১৩ সালে মার্চে গুরুতর অসুস্থ হয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে ভর্তি হলে তাকে রেফার করা হয় রাজধানীর হৃদরোগ ইনস্টিটিউট হাসপাতালে। আর্থিক অবস্থা খারাপ দেখে ডাক্তার আবদুল কাদের তাকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা না দিয়ে শুধু ওষুধ লিখে দেন। এরপর থেকে প্রতিদিন ১১ পদের ওষুধ না খেলে সংজ্ঞা হারিয়ে ফেলেন তিনি। চিকিৎসার খরচ জোগাতে বিক্রি করে দিয়েছেন নিজের ভিটে-মাটিও। এখন প্রতিদিনের ওষুধের টাকার জন্য স্ত্রীকে নিয়ে রাজধানীর পথে পথে ঘুরে বেড়াচ্ছেন তিনি। বাঁচার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ দেশের বিত্তবানদের কাছে সহযোগিতা চেয়েছেন অসহায় আবদুর রহিম। অসহায় এই বৃদ্ধের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার শাহবাজপুর গ্রামে। সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা: একাউন্ট নাম্বার: ১১১০৪, কৃষি ব্যাংক, সরাইল শাখা, বি-বাড়িয়া। মোবা: ০১৯৫৬২৬৯৪১৪, ০১৯২০১৮০৪৯১।

অর্ণব ভট্টএক্সক্লুসিভ
১৯৬৮ সালের জুন মাস। আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তখন কারাগারে। মামলা পরিচালনার জন্য তহবিল সংগ্রহ করছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা তাজউদ্দিন আহমেদ। তরুণ ব্যবসায়ী ও আওয়ামী লীগ কর্মী আবদুর রহিমকে তহবিল সংগ্রহের কথা জানান তিনি। বলেন, মামলা পরিচালনার জন্য বৃটিশ আইনজীবী টমাসকে নিয়োগ দিয়েছি। এর জন্য ১০...