1444812164
একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন কাদের পক্ষে সাক্ষ্য দিতে চেয়েছেন পাকিস্তানের পাঁচ নাগরিক। বুধবার আল-জাজিরায় একটি প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

Pakistanis ask to testify in Bangladesh war-crimes case’ শিরোনামে ঐ প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়েছে। ঐ পাঁচ নাগরিক হলেন-২০০১ সালের নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রীর পদপ্রার্থী মোহাম্মদ মিয়ান সোমরু, সাবেক জাতীয় সংসদ সদস্য ও মন্ত্রিপরিষদ মন্ত্রী ইশাক খান খাকওয়ানি, ডনের মিডিয়া গ্রুপের চেয়ারপারসন আম্বার হারুন সাইগল। বাকি দুইজন ব্যবসায়ী।

তারা মনে করেন, সাক্ষ্য দিতে পারলে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো থেকে তাকে মুক্ত করা সম্ভব।

তাদের দাবি, ১৯৭১ সালে যুদ্ধের সময় বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী করাচিতে ছিলেন। ঐ সময়ের যেসব অপরাধের জন্য তাকে মৃত্যুদন্ড দেয়া হয়েছে তখন তিনি পাকিস্তানে ছিলেন।

ফাঁসির রায় বহাল রেখে আপিল বিভাগের রায়ের বিরুদ্ধে বৃহস্পতিবার রিভিউ পিটিশন করেছেন সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী।

সাক্ষ্য দিতে আগ্রহী পাকিস্তানের ঐ পাঁচ নাগরিক বলেছেন, ট্রাইব্যুনালে নিজেরা তাদের প্রমাণ দাখিল করার আশা করেছিলেন। কিন্তু আদালত প্রসিকিউসন ৪১ সাক্ষীকে হাজির করতে অনুমতি দেন।কিন্তু সালাউদ্দিন কাদেরের আইনজীবীকে সব মিলিয়ে পাঁচজন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণের অনুমতি দেয়।

একারণে সাক্ষীরা শপথ হলফনামার একটি খসড়া আদালতে উপস্থাপনা করেন। কিন্তু ট্রাইব্যুনাল ও আপিল বিভাগ এগুলোকে অগ্রহণযোগ্য বলে।

পোশাক ব্যবাসয়ী মুনীব আর্জমান্ড খান দাবি করেছেন, তার সাক্ষ্য আদালতের পুরো প্রক্রিয়াকে পরিবর্তন করে দিতে পারবে।

তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের ২৯ মার্চ করাচি বিমানবন্দরে এক বন্ধুর কাছ থেকে সালাউদ্দিন কাদেরকে নেন। তাকে হারুন পরিবারের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তিনি তিন সপ্তাহ অবস্থান করেন। এরপর পড়াশুনা করার জন্য বিমানে করে লাহোরে চলে যান।

তিনি দাবি করেন, আমরা কোনো কিছু বানানোর চেষ্টা করছি না। আমরা যা বলছি তা সত্য।

১৯৭১ সালে আম্বার হারুন সাইগলের বয়স ২০ বছর ছিল। তিনি জানান, ঐ সময় সালাউদ্দিন কাদের তাদের বাড়িতে ছিলেন। তিনি বলেন, মার্চের শেষে দিকে সালাউদ্দিন আমাদের করাচির বাড়িতে আসেন। সেখানে তিনি দুই থেকে তিন সপ্তাহ অবস্থান করেন। ঐ দিনগুলোতে রাতের খাবারের সময় তার সাথে আমি, আমার বোন ও বাবা-মা আলোচনা করতাম।

তিনি বলেন, এটিই সত্যি। যদি আদালত অনুমতি দেয় তবে কারো জীবন বাঁচানোর জন্য আমি বাংলাদেশে গিয়ে সাক্ষ্য দিকে রাজি আছি।

২০০৭ সালে পাকিস্তানের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন মোহম্মদ মিয়ান সোমরু । তিনি বলেন, যে তিন সপ্তাহ সালাউদ্দিন করাচিতে ছিলেন, সে সময় তার সঙ্গে আমার নিয়মিত সাক্ষাৎ হতো।

তিনি সালাউদ্দিনকে নির্দোষ দাবি করেন। তিনি বলেন, ন্যায়বিচারের জন্য সাক্ষীদের আদালতে উপস্থিত হতে দেয়া উচিত। আমি যে কোনো সময় শপথ নিয়ে আদালতে সাক্ষ্য দিকে প্রস্তুত।

http://crimereporter24.com/wp-content/uploads/2015/10/1444812164.jpghttp://crimereporter24.com/wp-content/uploads/2015/10/1444812164-300x300.jpgতাহসিনা সুলতানাশেষের পাতা
একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন কাদের পক্ষে সাক্ষ্য দিতে চেয়েছেন পাকিস্তানের পাঁচ নাগরিক। বুধবার আল-জাজিরায় একটি প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। Pakistanis ask to testify in Bangladesh war-crimes case' শিরোনামে ঐ প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়েছে। ঐ পাঁচ নাগরিক হলেন-২০০১ সালের নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রীর পদপ্রার্থী মোহাম্মদ মিয়ান সোমরু,...