1439887958
তুমি পাশে থেকো চিরদিন। সুখে দুঃখে কাছে থেকো সবসময়। কখনো স্বামী হয়ে, কখনো সাথি হয়ে, কখনো অভিভাবক হয়ে, কখনো আবার বন্ধু হয়ে। এভাবেই প্রত্যেক স্ত্রী তার স্বামীকে পেতে চায়। তার সবচেয়ে কাছের মানুষটিকে মনে মনে অথবা প্রকাশ্যে বন্ধু রূপে দেখতে চায়। স্ত্রী সবচেয়ে বেশি নির্ভর করে বন্ধুরূপী স্বামীর উপর। স্বামীর সাথে সম্পর্ক কেমন হবে তা নিয়ে লিখেছেন মোহনা
স্বামীকে সে ভয় পাওয়ার লোক হিসেবে নেয় না। কারণ সে তাকে ভালোবাসে। তবে অনেক ক্ষেত্রে ভালোবাসার এই মানুষটাকে স্ত্রী ভয় পায়। হয়তো তার স্বামী তাকে বুঝতে চায় না। স্বামী তার নিজের ইচ্ছাকে বেশি গুরুত্ব দেয়। পরিবারের আর সবার মতো নিজের সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেয় স্ত্রীর উপর। সংসারের কর্তাব্যক্তি হিসেবেই ভূমিকা পালন করে। কখনো বন্ধু হতে চান না। এমন অনেক কারণে স্ত্রীর মধ্যে স্বামীর প্রতি ভয় তৈরি হয়। এছাড়া স্বামী রাগী স্বভাবের হলেও অনেকের মধ্যে ভয় কাজ করে। মধুর এই সম্পর্কে আপনি কী চান ভয়ের জালে আটকে দিতে। কখনোই নয়। আপনি যদি স্বামীকে ভয় পান, তবে দূরত্ব আরও বেড়ে যাবে। ভয়কে ছাপিয়ে স্বামীর সাথে সর্ম্পক সহজ করার চেষ্টা করুন। কখনো তাকে বড় ভেবে এড়িয়ে যাবেন না। নিজের ছোট ছোট সব ধরনের কথা স্বামীর সাথে শেয়ার করুন। আপনার মনে স্বামীর জন্য বন্ধুত্বের যেই জায়গাটা তৈরি করেছেন, সেটা জাগিয়ে তুলুন। যখন সে অনেক রেগে যাবে তখন নিজে নীরব থাকুন। অথবা রাগ কমানোর জন্য স্বামীকে সমর্থন করুন। অন্য দিকে আপনাকেও স্বামীর বিপদে পাশে দাঁড়াতে হবে। স্বামীকে বুঝতে হবে। বন্ধু হয়ে তার পাশে ছায়ার মতো থাকতে হবে। নিজের প্রতি স্বামীর ভরসা তৈরি করতে হবে। অনেক সময় মেয়েদের সম্পর্ক তৈরি করতে অনেক রকম ছাড় দিতে হয়ে। ধীরে ধীরে এই সম্পর্ক আপনাকে আপনার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছে দেবে। আপনার উপর স্বামীসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যের নির্ভরতা তৈরি হবে। পরিবারের সবাই যখন আপনাকে গুরুত্ব দেবে তখন স্বামী আপনমনে আপনার জন্য ভালোবাসার জায়গাটা করে নেবে। আপনাকে বন্ধু ভেবে কাছের মানুষ করে নেবে। তখন ভয় নামের পাখিটা আর আপনার জানালায় উঁকি দেওয়ার সুযোগ পাবে না। স্ত্রীর পাশাপাশি স্বামীকেও তার জায়গা থেকে হাত বাড়িয়ে দিতে হবে। শুধু এক পক্ষের চেষ্টায় সুফলতা পাওয়া কঠিন। তাই স্ত্রীকে সময় দিতে হবে। স্ত্রীর কথার গুরুত্ব দিতে হবে। স্ত্রীকে হেয় করা, কথায় কথায় ধমক দেওয়া কিংবা তার কোনো কাজকে ছোট করে দেখা যাবে না। কারণ প্রত্যেকটা মানুষের আত্মসম্মান রয়েছে। আত্মসম্মানের উপর আঘাত এলে কেউ সহ্য করতে পারে না। তখন হয় সে দূরে সরে যায় অথবা বিরোধিতা করে। স্বামী-স্ত্রীর ভালোবাসার সম্পর্কে দূরত্ব বেড়ে গেলে, বিরোধের সৃষ্টি হলে পারস্পরিক ভয় বাড়তে থাকে। এক্ষেত্রে স্ত্রীর ভয়ের মাত্রাই বেশি হয়। তাই আপনার মধুর সর্ম্পক আরও মধুর এবং মজবুত করতে ভয়কে জয় করুন। সুখের সংসারে ভালোবাসার ক্ষেত্র তৈরি করুন। সম্পর্ককে সহজ করে গ্রহণ করুন। আপনার ভালোবাসার মানুষটিকে খুব ভালোবাসুন। তাহলে আপনার ভয় কমে আসবে। জীবনের স্রোত আপনার অনুকূলে বইবে। পৃথিবী আপনার কাছে স্বর্গ মনে হবে। ভয় নামের কালপাখি ছুঁতে পারবে না আপনার সম্পর্ককে।

বাহাদুর বেপারীলাইফ স্টাইল
তুমি পাশে থেকো চিরদিন। সুখে দুঃখে কাছে থেকো সবসময়। কখনো স্বামী হয়ে, কখনো সাথি হয়ে, কখনো অভিভাবক হয়ে, কখনো আবার বন্ধু হয়ে। এভাবেই প্রত্যেক স্ত্রী তার স্বামীকে পেতে চায়। তার সবচেয়ে কাছের মানুষটিকে মনে মনে অথবা প্রকাশ্যে বন্ধু রূপে দেখতে চায়। স্ত্রী সবচেয়ে বেশি নির্ভর করে বন্ধুরূপী স্বামীর উপর।...