rain_107697
রবিবার রাজধানীতে মাত্র ১৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হযেছে। আর এতেই প্রশাসনের প্রাণকেন্দ্র সচিবালয়ের বিভিন্ন পয়েন্টে সৃষ্টি হয়েছে জলাবদ্ধতা। এর ফলে চলাচলের ক্ষেত্রে সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দুর্ভোগে পড়েছেন। কেউ বাধ্য হয়ে জুতা ভিজিয়ে, প্যান্ট গুটিয়ে আধা ভেজা হয়ে চলাচল করছেন।

জলাবন্ধতায় সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন নারী কর্মচারীরা। দুপুর একটার দিকে অনেককে আধাভেজা অবস্থায় ৬ নম্বর ভবনে প্রবেশ করতে দেখা গেছে। পানির কারণে কেউ কেউ পথ ঘুরে ভবনগুলোর সংযোগ সেতু দিয়ে আসা-যাওয়া করছেন।

রবিবার সকাল ৬টা থেকে দুপুর পর্যন্ত ঢাকায় ১৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। এতে সচিবালয়ের ৬ নম্বর ভবনের দক্ষিণ পাশে প্রায় হাটু সমান পানি জমে গেছে। ৬ নম্বর ভবনের পশ্চিম পাশে, ৩ নম্বর ভবনের পেছনের চালাচলের মূল পথটিও পানির নিচে তলিয়ে গেছে।

৬ নম্বর ভবনের কর্মচারী মো. আব্দুর রহমান ঘুর পথে বেশ কসরত করে স্বরাষ্ট মন্ত্রণালয়ের বিল্ডিংয়ের ক্যান্টিন থেকে তার স্যারের জন্য খাবার নিয়ে এসেছেন। তিনি ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমকে বলেন, ‘বৃষ্টি আসলেই ৬ নম্বর বিল্ডিংয়ের সামনে এই অবস্থা হয়, স্যারেরা তো গাড়িতে করে আসা যাওয়া করে ঝামেলায় পড়ি আমরা।’

ক্লিনিক ভবনের পেছনে ও পূর্ব পাশে পানি জমলেও কিছুক্ষণ পর তা সরে যায়। তিন নম্বর ভবনের মাঝের বাগানটিতে পানি জমে গেছে। বাগানের উত্তর পাশটি পানিতে ডুবে রয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে গণপূর্ত বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ মোয়াজ্জেম হোসেন খান ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমকে বলেন, ‘সচিবালয়ের বাইরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের দিকে যে স্থান দিয়ে পানি সরে সেখানকার পানির লেভেল সচিবালয়ের পানির লেভেল থেকে বেশি হওয়ায় পানি সরতে দেরি হচ্ছে। তাই সচিবালয়ের ভেতরে পানি জমেছে। তবে এই পানি সরে যেতে বেশি সময় লাগবে না।’

হাসন রাজাশেষের পাতা
রবিবার রাজধানীতে মাত্র ১৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হযেছে। আর এতেই প্রশাসনের প্রাণকেন্দ্র সচিবালয়ের বিভিন্ন পয়েন্টে সৃষ্টি হয়েছে জলাবদ্ধতা। এর ফলে চলাচলের ক্ষেত্রে সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দুর্ভোগে পড়েছেন। কেউ বাধ্য হয়ে জুতা ভিজিয়ে, প্যান্ট গুটিয়ে আধা ভেজা হয়ে চলাচল করছেন। জলাবন্ধতায় সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন নারী কর্মচারীরা। দুপুর একটার দিকে...