inu_104863
বর্তমানে বেসরকারি স্যাটেলাইট চ্যানেলের প্রচারিত অনুষ্ঠান, টকশো ও সংবাদ নিয়মিত মনিটরিং করার জন্য কমিটি রয়েছে বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে রবিবার এ তথ্য জানান তথ্যমন্ত্রী।

বেগম ফজিলাতুন নেসা বাপ্পি মন্ত্রীর কাছে জানতে চান, “বিভিন্ন টেলিভিশনে প্রচারিত টকশোগুলিতে আলোচকরা প্রায়ই বিকৃত ও অসত্য তথ্য প্রদান করে জনগণকে বিভ্রান্ত করেছেন। বাক স্বাধীনতার নামে তথ্যের এ সকল বিকৃতি রোধে মন্ত্রণালয় কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করবে কিনা?”

জবাবে তথ্যমন্ত্রী জানান, বর্তমানে বেসরকারি স্যাটেলাইট চ্যানেল কর্তৃক প্রচারিত অনুষ্ঠান, টকশো ও সংবাদ নিয়মিত মনিটরিং করার জন্য একটি কমিটি রয়েছে। সরকারি ও জাতীয় ইলেকট্রনিক গণমাধ্যম হিসাবে বাংলাদেশ টেলিভিশন জাতির কাছে পুরোপুরি দায়বদ্ধ। বাংলাদেশ টেভিশন হতে বিকৃত ও অসত্য তথ্য প্রদান করে জনগণকে বিভ্রান্ত করার মতো কোন অনুষ্ঠান বা টক শো প্রচার করার সুযোগ নেই। তিনি জানান, জাতীয় সম্প্রচার নীতিমালা ২০১৪- এর তৃতীয় অধ্যায়ের ৩.২.২ অনুচ্ছেদে বিভ্রান্তিকর ও অসত্য তথ্য বা উপাত্ত পরিহারের জন্য বলা হয়েছে। উক্ত নীতিমালা কার্যকর করার জন্য ‘সম্প্রচার আইন,২০১৫’ ও ‘সম্প্রচার কমিশন আইন,২০১৫’ প্রণয়ন করা হয়েছে।

হাসানুল হক ইনু বলেন, প্রস্তাবিত আইন দুইটি প্রণীত হলে ‘সম্প্রচার কমিশন’ প্রতিষ্ঠিত হবে এবং টকশোর জন্য সুনির্দিষ্ট মানদন্ড নির্ধারণ করা হবে। ফলে টকশোগুলিতে বিকৃত ও অসত্য তথ্য উপস্থাপনের সুযোগ থাকবে না।

বেগম পিনু খানের অপর এক প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী জানান, বেসরকারি মালিকানাধীন টেলিভিশন চ্যানেল বা পত্রিকায় ব্যক্তি স্বার্থ উদ্ধার এবং ব্যক্তিগত শক্রতার বা বিরোধীকে লক্ষ্য করে বিরোধী পক্ষের বিরুদ্ধে নানা প্রকার কল্পকাহিনী বা মিথ্যা বানোয়াট সংবাদ প্রচার করা হলে সেক্ষেত্রে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি দেশের প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন। জাতীয় সম্প্রচার নীতিমালার পঞ্চম অধ্যায়ে কোন ব্যক্তির ব্যক্তিগত বা গোপনীয় বা মর্যাদা হানিকর তথ্য প্রচার করা যাবে না। এক্ষেত্রে বিধি-নিষেধ আরোপ করা হয়েছে।

তথ্যমন্ত্রী আরও জানান, ‘জাতীয় সম্প্রচার কমিশন’ প্রণয়নের কাজ চলছে। উক্ত আইনেও এসব বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বলা হয়েছে।

মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী অপর আরেক প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী জানান, বর্তমানে বাংলাদেশে ভারতের ৩২টি পে-চ্যানেল এবং ৮টি ফ্রি-চ্যানেল সম্প্রচারিত হচ্ছে। বাংলাদেশের টিভি চ্যানেলের বিষয়ে ভারতীয় দর্শকদের যথেষ্ট আগ্রহ রয়েছে এবং বাংলাদেশের চ্যানেল সম্প্রচারের ক্ষেত্রে কোন আইনগত বাধা নেই। তবে বিদেশি টিভি চ্যানেল প্রদর্শনের ক্ষেত্রে ডাইনলিংক ফি হওয়ায় ভারতীয় ক্যাবল অপারেটরা এই বিষয়ে আগ্রহী হচ্ছে না। বিষয়টি ভারতীয় সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট উত্থাপন করা হয়েছে।

সম্প্রতি ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরকালে দূরদর্শনের একটি চ্যানেলে ডিটিএইচ প্রযুক্তির মাধ্যমে বিটিভির অনুষ্ঠান প্রচারের বিষয়ে তার সম্মতি পাওয়া গেছে বলে জানান তথ্যমন্ত্রী।

হীরা পান্নাজাতীয়
বর্তমানে বেসরকারি স্যাটেলাইট চ্যানেলের প্রচারিত অনুষ্ঠান, টকশো ও সংবাদ নিয়মিত মনিটরিং করার জন্য কমিটি রয়েছে বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে রবিবার এ তথ্য জানান তথ্যমন্ত্রী। বেগম ফজিলাতুন নেসা বাপ্পি মন্ত্রীর কাছে জানতে চান, 'বিভিন্ন টেলিভিশনে প্রচারিত টকশোগুলিতে আলোচকরা প্রায়ই বিকৃত ও অসত্য তথ্য প্রদান করে...