untitled-5_161891
স্ব-স্ব ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ শীর্ষ দশ অনন্যায় ভূষিত হলেন দেশের খ্যাতিমান ১১ নারী। পুরস্কারপ্রাপ্তরা হলেন- ভাষাসংগ্রামী অধ্যাপক লায়লা নূর, দেশের প্রথম নারী উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলাম, বুয়েটের প্রথম নারী ও দেশের দ্বিতীয় উপাচার্য অধ্যাপক খালেদা একরাম, মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি এমপি, চিকিৎসক ডা. তাহমিনা বানু, সমাজসেবক রোকসানা সুলতানা, আইন ও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ, ভিজ্যুয়াল আর্টের শিল্পী নাজিয়া আন্দালিব প্রিমা, বাংলাদেশ প্রমীলা ক্রিকেট জাতীয় দলের অধিনায়ক সালমা খাতুন ও দেশের প্রথম নারী সামরিক পাইলট নাইমা হক ও তামান্না-ই- লুৎফি। অনন্যা বিশেষ সম্মাননা পেয়েছেন সাংবাদিক ও নারী অধিকারকর্মী দিল মনোয়ারা মনু। গতকাল শনিবার রাজধানীর খামারবাড়ীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে তাদের এ পুরস্কার ভূষিত করা হয়।

পাক্ষিক অনন্যা আয়োজিত শীর্ষ দশ অনন্যা পুরস্কার অনুষ্ঠানের শুরুতেই গানের দল প্রাণের দল পরিবেশন করে জাতীয় সঙ্গীত। এরপর নজরুলের সাম্যের গানের আবহে নৃত্য পরিবেশন করে সাধনা শিল্পীগোষ্ঠী।
অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে অনন্যার সম্পাদক তাসমিমা হোসেনের ওপর নির্মিত প্রামাণ্য তথ্যচিত্র দেখানো হয়। এর পর শুরু হয় পুরস্কার প্রদান। এ পর্বে তাসমিমা হোসেনের সঞ্চালনায় মঞ্চে উপস্থিত থেকে পুরস্কার তুলে দেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ইসমাত আরা সাদেক, সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা গীতিআরা সাফিয়া চৌধুরী ও নারীবাদী সংগঠক মনোয়ারা হাকিম। পুরস্কার গ্রহণ করে অনুভূতি প্রকাশ করেন এবারের শীর্ষ দশের ১১ অনন্যা।

অধ্যাপক ফারাজানা ইসলাম বলেন, ‘অনন্যার মতো পুরস্কার পেয়ে আমি রীতিমতো আপ্লুত। আজ থেকে আমার দায়িত্ব আরও বহুগুণে বেড়ে গেল।’ মেহের আফরোজ চুমকি বলেন, ‘দেশের আনাচে-কানাচে যেসব প্রতিভাধর নারী কাজ করে যাচ্ছেন তাদের জন্য অনন্যা কাজ করছে, পুরস্কার দিচ্ছে। আর এরই ধারাবাহিতায় আমি পুরস্কারটি পেলাম, এটা সত্যিই আনন্দের এবং ভালোলাগার।’ চিকিৎসক ডা. তাহমিনা বানু বলেন, ‘শিশুরা আমাদের ভবিষ্যৎ আর তাদের নিয়ে কাজ করে যাচ্ছি।

এরই স্বীকৃতিস্বরূপ পুরস্কার পেলাম, এটা সত্যি আনন্দের।’ তার পুরস্কারটি দেশের সব শিশুকে উৎসর্গ করেন। ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধ দেখিনি; কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের জন্য কাজ করছি। আমি মনে করি, আমি বর্তমানে যে কাজ করছি, সেটাও আমার জন্য একাত্তর। আর সে কাজের জন্য মানুষের সহযোগিতা ও ভালোবাসা দরকার।’ সালমা খাতুন তার অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে আবেগে কেঁদে ফেলেন। কান্নাভেজা কণ্ঠে বলেন, ‘যখনই কোনো স্বীকৃতি পাই নিজের কোনো অর্জন হয়, তখন আমার বাবাকে ভীষণ মনে পড়ে। বাবা বেঁচে থাকলে খুশি হতেন।’ অনুভূতি প্রকাশে দেশের প্রথম নারী সামরিক পাইলট নাইমা হক ও তামান্না-ই- লুৎফি দেশের জন্য আরও কিছু কাজ করে যাওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

সাংবাদিক ও নারী অধিকারকর্মী দিল মনোয়ারা মনু তার প্রতিক্রিয়ায় সাংবাদিকতার পথিকৃৎ সওগাত পত্রিকার নাসির উদ্দিন, বেগম পত্রিকার নূরজাহান বেগম ও কচি-কাঁচার মেলার রোকনুজ্জামান দাদু ভাইয়ের নাম বিশেষভাবে স্মরণ করেন। আয়োজনের তৃতীয় পর্বে ২৭ পাউন্ডের কেকে কেটে অনন্যার ২৭ বছর পূর্তি উদযাপন করা হয়। সে সঙ্গে ২১০ জন অনন্যার ছবি সংবলিত একটি বিশেষ সংখ্যার মোড়ক উন্মোচন করা হয়। সবশেষে ময়মনসিংহ থেকে আসা নারী বংশীবাদক সরস্বতী দাশ একক বাঁশি বাদন পরিবেশন করেন।

তুনতুন হাসানপ্রথম পাতা
স্ব-স্ব ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ শীর্ষ দশ অনন্যায় ভূষিত হলেন দেশের খ্যাতিমান ১১ নারী। পুরস্কারপ্রাপ্তরা হলেন- ভাষাসংগ্রামী অধ্যাপক লায়লা নূর, দেশের প্রথম নারী উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলাম, বুয়েটের প্রথম নারী ও দেশের দ্বিতীয় উপাচার্য অধ্যাপক খালেদা একরাম, মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি এমপি, চিকিৎসক ডা. তাহমিনা বানু,...