1441635610
‘যে মানুষ আত্মহত্যা করবে সে কি তার মোবাইল চার্জে রেখে যাবে, তার ল্যাপটপ কি চালু থাকবে। এটা যদি সত্যি আত্মহত্যা হয় আমরা মেনে নেব। কিন্তু সে তো আত্মহত্যা করার মতো ছেলে নয়। কেন আত্মহত্যা করবে সে এটা আমাদের জানার অধিকার আছে।’

সোমবার শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও সিলেট গণজাগরণ মঞ্চের কর্মী শাহরিয়ার মজুমদার স্মরণে শোকর‌্যালী সভায় ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল এ কথা বলেন। সভাটির আয়োজন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের আওয়ামীপন্থি শিক্ষক ফোরাম।
তিনি আরো বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের আরো অনেক ছাত্র-ছাত্রী আত্মহত্মা করেছে। আমরা গিয়েছি শিক্ষার্থীদেরকে কোলে করে নামিয়েছি। এ অভিজ্ঞতা আমাদের রয়েছে। যেহেতু আত্মহত্যায় কাউন্সেলিং অথবা এ ধরনের সংগঠনের সঙ্গে প্রফেসর ইয়াসমীন এবং আমি নিজেও জড়িত। আত্মহত্যা করার আগে মানসিক অবস্থা কি হয় সে সম্পর্কে আমাদের ধারণা আছে। কোন ভাবেই আমি এটাকে আত্মহত্যার সঙ্গে মিলাতে পারিনা।’

এর আগে দুপুর ১২টায় শাহরিয়ার মজুমদারের স্মরণে শোকর‌্যালীটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে এসে শেষ হয়।

এতে অন্যান্যের মধ্যে ড. মো. ইউনুস, ড. সামসুল আলম, ড. ইয়াসমীন হক, ড. আনোরুল ইসলাম, ড. দীপেন দেবনাথ ও ড. মো. মস্তাবুর রহমানসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, শাহরিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য বিভাগের ২০০৮-০৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি ছিলেন সিলেটের গণজাগরণ মঞ্চের সক্রিয় কর্মী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘কার্টুন ফ্যাক্টরির সাবেক সভাপতি এবং সাংস্কৃতিক জোটের আহ্বায়ক। বৃহস্পতিবার রাত নয়টার দিকে নিজ কক্ষ থেকে পুলিশ জানালার গ্রিলের সঙ্গে বেল্ট দিয়ে ফাঁস লাগানো অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করে।

অর্ণব ভট্টশেষের পাতা
‘যে মানুষ আত্মহত্যা করবে সে কি তার মোবাইল চার্জে রেখে যাবে, তার ল্যাপটপ কি চালু থাকবে। এটা যদি সত্যি আত্মহত্যা হয় আমরা মেনে নেব। কিন্তু সে তো আত্মহত্যা করার মতো ছেলে নয়। কেন আত্মহত্যা করবে সে এটা আমাদের জানার অধিকার আছে।’ সোমবার শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী...