1437997617
প্রবল বর্ষণ ও উজানের পানিতে জেলার লাকসাম উপজেলার অধিকাংশ এলাকা তলিয়ে গেছে। ডাকাতিয়া নদীর পানি বিপদসীমা অতিক্রম করেছে। পানিবন্দী হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন কয়েক হাজার মানুষ। এখন পর্যন্ত কোনো আশ্রয় কেন্দ্রে কিংবা বন্যা কবলিত এলাকার কোথাও ত্রাণসামগ্রী পৌঁছেনি। পৌর শহর থেকে শুরু করে উপজেলার প্রত্যন্তাঞ্চলের পানিবন্দী মানুষ অন্যত্র আশ্রয় নিচ্ছে। রাস্তা-ঘাট তলিয়ে যাওয়ায় জনদুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে।

ইতিমধ্যে বিভিন্ন স্থানে বন্ধ হয়ে গেছে সরকারি-বেসরকারি বেশিরভাগ বিদ্যালয় ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান।

জানা গেছে, উপজেলার গোবিন্দপুর, আজগরা, উত্তরদা, মুদাফরগঞ্জ গ্রাম এবং লাকসাম পূর্ব ইউনিয়ন ও পৌরসভা এলাকার নিম্নাঞ্চল সবচে’ বেশি প্লাবিত হয়েছে।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্র জানায়, উপজেলার মোহাম্মদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মেল্লা জেসিসিকে, উত্তরকুল, ভাটিয়াভিটা, উত্তরপশ্চিমগাঁও, বাতাখালি, দক্ষিণ চাঁদপুর, ইছাপুরা পূর্ব, নাড়িদিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ অন্তত ১৫টি বিদ্যালয় বন্ধ রয়েছে। অধিকাংশ বিদ্যালয়ই বন্যার্তদের আশ্রয় কেন্দ্রে হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

অন্যদিকে পুকুরের মাছের খামার ভেসে যাওয়ায় কয়েক কোটি টাকার লোকসানের কবলে পড়েছেন খামারিরা। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার দুই হাজার ছয় শ ৮০টি মাছের খামার ভেসে গিয়ে প্রায় পাঁচ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।

এদিকে উপজেলা প্রায় নয় শ হেক্টর আউশ ধান বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে এবং ২৫ হেক্টর জমির আমন বীজতলা ও শাকসবজির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. শফিউল আলম ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমকে জানান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে বন্যার্তদের আশ্রয় দেয়ার জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। বন্যার পানি দ্রুত নিষ্কাশনে ডাকাতিয়া নদীসহ শাখা খালগুলোর বাঁধ অপসারণের জন্য তিনি স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ সর্বসাধারণের সহযোগিতা কামনা করেছেন।

বাহাদুর বেপারীস্বদেশের খবর
প্রবল বর্ষণ ও উজানের পানিতে জেলার লাকসাম উপজেলার অধিকাংশ এলাকা তলিয়ে গেছে। ডাকাতিয়া নদীর পানি বিপদসীমা অতিক্রম করেছে। পানিবন্দী হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন কয়েক হাজার মানুষ। এখন পর্যন্ত কোনো আশ্রয় কেন্দ্রে কিংবা বন্যা কবলিত এলাকার কোথাও ত্রাণসামগ্রী পৌঁছেনি। পৌর শহর থেকে শুরু করে উপজেলার প্রত্যন্তাঞ্চলের পানিবন্দী মানুষ অন্যত্র...