1439564653
গণফোরাম সভাপতি ও সংবিধান প্রণেতা যারা বঙ্গবন্ধুর নাম ভাঙিয়ে চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি করে এরা গুণ্ডা বলেছেন, ‘দেশের মালিক হয়েও আমরা অসহায় বোধ করছি। যারা বঙ্গবন্ধুর নাম ভাঙিয়ে চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি করে এরা গুণ্ডা। বঙ্গবন্ধু কী এদের নেতা ছিলেন? এদের দেখলেই বলবেন, ধর, ধর গুণ্ডাদের ধর।’

জাতীয় প্রেস ক্লাবের কনফারেন্স হলে শুক্রবার সন্ধ্যায় জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে গণফোরাম আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন।

ড. কামাল হোসেন বলেন, ‘জনগণ এখন ঐক্যবদ্ধ। জনগণ জান-মালের নিরাপত্তা চায়। কতিপয় নামকাওয়াস্তে ছাত্রের কাছে অস্ত্র দিয়ে শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট করা হচ্ছে। পাকিস্তানের এনএসএফের হাতেও অস্ত্র তুলে দেওয়া হয়েছিল। গলায় সাপ পেঁচিয়ে ভয় দেখাত। এদের সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর রাজনীতির বিন্দুমাত্র সম্পর্ক নেই। এরা বঙ্গবন্ধুর নাম নিলে থাপ্পড় মারবেন?’

ড. কামাল বলেন, ‘যারা লীগ লীগ করে, বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে তাদের কোনো সম্পর্ক নেই। যারা চাঁদাবাজ, ধান্দাবাজ ও হিন্দুদের সম্পত্তি দখল করে তাদের কি বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকলে পিঠ চাপড়াতেন? এরা বঙ্গবন্ধু ও স্বাধীনতার বিরোধী।’

তিনি বলেন, ‘৭৫-এ অনেক লীগ করা নেতারা আপোষ করেছিলেন। নীতির প্রশ্নে আমরা আপোষ করি নাই। আমরা তো বিজয়ী। আমরা কেন, আপোষ করব।’

ড. কামাল বলেন, ‘এখান থেকে বেরিয়ে গেলে গুলি করবে? তারপরও মুখ বন্ধ করব না। আমরা বাঙালি। আমাদের মুখ খুলিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু। যতদিন বঙ্গবন্ধুর আদর্শ থাকবে ততদিন মুখ বন্ধ করব না। পুলিশ দিলে হুমকি দিবে? আগে ৩২ নম্বরে কেউ যেত না। প্রথমে আমরা কিছু লোক যেতাম। আস্তে আস্তে ভয় কেটে গেছে।’

তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু জনগণের অধিকারের ব্যাপারে ছাড় দিতেন না। ভয়ে ভীত হতেন না। বঙ্গবন্ধুর সন্তান যদি কেউ থেকে থাকে তারাও কোনো ভয়ে ভীত হবে না।’

ড. কামাল আরো বলেন, ‘বিভাজন শব্দটিকে আমি ঘৃণা করি। আমাদের মধ্যে কোনো বিভাজন নেই। এ ব্যাপারে আমাদের সচেতন হওয়া উচিৎ। বাঙালিদের কাছে এগুলো নতুন না। সেই ৬ দফা, ১১ দফার সময়ও আমাদের বিচ্ছিন্নতাবাদী বলা হতো। আমরা ভয় পাইনি। বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, আমরা প্রমাণ করব আমরা ঐক্যবদ্ধ। এই দেশ আমাদের। আমরা প্রমাণ করেছিলাম। ঐক্যের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হবে। ঐক্যবদ্ধ থাকলে কেউ আমাদের পরাজিত করতে পারবে না।’

ড. কামাল বলেন, ‘এ দেশ সকলের। কতিপয় লোক লুটপাট করে যাবে এটা হতে পারে না। হতে দেব না। দেব না।’

আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সুলতান মোহাম্মদ মনসুর বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু কন্যা এখন ক্ষমতায়। সত্য কথা বললে এখন প্রধানমন্ত্রীর নামের সামনে থেকে আগে শেখ বাদ দিতে হবে। না হয় আমাদের বোবা হয়ে থাকতে হবে। আমরা এখন বঙ্গবন্ধুর রাজনীতিও করতে পারছি না। আবার চুপও থাকতে পারছি না।’

গণফোরাম সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসীন মন্টুর সঞ্চালনায় আলোচনায় বক্তব্য রাখেন গণফোরাম প্রেসিডিয়াম সদস্য মফিজুল ইসলাম খান কামাল, ফরোয়ার্ড পার্টির আহ্বায়ক আ ব ম মোস্তফা আমিন, এডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, আলতাফ হোসেন প্রমুখ।

সুরুজ বাঙালীজাতীয়
গণফোরাম সভাপতি ও সংবিধান প্রণেতা যারা বঙ্গবন্ধুর নাম ভাঙিয়ে চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি করে এরা গুণ্ডা বলেছেন, ‘দেশের মালিক হয়েও আমরা অসহায় বোধ করছি। যারা বঙ্গবন্ধুর নাম ভাঙিয়ে চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি করে এরা গুণ্ডা। বঙ্গবন্ধু কী এদের নেতা ছিলেন? এদের দেখলেই বলবেন, ধর, ধর গুণ্ডাদের ধর।’ জাতীয় প্রেস ক্লাবের কনফারেন্স হলে শুক্রবার সন্ধ্যায়...