GULI
যশোর সদর উপজেলার লেবুতলা ইউনিয়নে সন্ত্রাসীদের গুলিতে চরমপন্থী নেতা মোফাজ্জেল হোসেন ওরফে বেড়ে মবজেল (৫৫) নিহত হয়েছেন। বুধবার দুপুর দেড়টার দিকে লেবুতলা ইউনিয়নের সরশুনাদহ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মবজেল যশোর সদর উপজেলার সালিহাট গ্রামের শাহজাহানের ছেলে। তিনি নিষিদ্ধঘোষিত বিপ্লবী কমিউনিস্ট পার্টির আঞ্চলিক নেতা ছিলেন। তার বিরুদ্ধে হত্যা, বিস্ফোরকসহ অন্তত অর্ধডজন মামলা রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

সূত্র জানায়, মবজেল দীর্ঘদিন নিষিদ্ধঘোষিত বিপ্লবী কমিউনিস্ট পার্টির সাথে জড়িত ছিলেন। তিনি এলাকা থেকে পালিয়ে সদর উপজেলার লেবুতলা ইউনিয়নের সরশুনাদহ গ্রামে আত্মগোপনে ছিলেন। বুধবার দুপুরের দিকে মবজেল সরশুনাদহ গ্রামের রাস্তার পাশে একটি চায়ের দোকানে অবস্থা করছিলেন। এ সময় ৩টি মোটরসাইকেলে অজ্ঞাত ৬ জন দুর্বৃত্ত এসে তাকে খুব কাছ থেকে গুলি করে পালিয়ে যায়। তার শরীরে অন্তত ৮টি গুলিবিদ্ধ হয়। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তার লাশ উদ্ধার করে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।

যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই মিজানুর রহমান ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমকে জানান, নিহত চরমপন্থী নেতা মবজেলের বিরুদ্ধে ৩টি হত্যা, ২টি বিস্ফোরকসহ ৬টি মামলার সন্ধান তারা পেয়েছেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন চরমপন্থী রাজনীতির সাথে জড়িত মবজেল বর্তমানে ক্ষমতাসীন দলের দুই জনপ্রতিনিধির ছত্রছায়ায় ছিলেন। তাদের শেল্টারে থেকে তিনি সরশুনাদহ গ্রামে অবস্থান করছিলেন। সেখানেই দুর্বৃত্তদের গুলিতে তাকে প্রাণ দিতে হলো। অন্তর্দ্বন্দ্ব ও পূর্ববিরোধের জের ধরে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করতে পারেনি পুলিশ।

ওয়াজ কুরুনীস্বদেশের খবর
যশোর সদর উপজেলার লেবুতলা ইউনিয়নে সন্ত্রাসীদের গুলিতে চরমপন্থী নেতা মোফাজ্জেল হোসেন ওরফে বেড়ে মবজেল (৫৫) নিহত হয়েছেন। বুধবার দুপুর দেড়টার দিকে লেবুতলা ইউনিয়নের সরশুনাদহ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মবজেল যশোর সদর উপজেলার সালিহাট গ্রামের শাহজাহানের ছেলে। তিনি নিষিদ্ধঘোষিত বিপ্লবী কমিউনিস্ট পার্টির আঞ্চলিক নেতা ছিলেন। তার বিরুদ্ধে হত্যা, বিস্ফোরকসহ...