1441209368
গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টি ও যমুনা-ধলেশ্বরী নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় দৌলতপুর উপজেলার বাঁচামারা, বাঘুটিয়া, চরকাটারী, জিয়নপুর, খলশী, চকমিরপুর, ধামশ্বর ও কলিয়া ইউনিয়নের ৪০টি গ্রামের প্রায় ২০ হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন।

যমুনা ও ধলেশ্বরী নদীতে হঠাত্ পানি বৃদ্ধি এবং নদীর করাল গ্রাস ও ভাঙনের ফলে ৮শ বসতবাড়ি, পাকা রাস্তা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাট-বাজারসহ আবাদি জমি ও বিস্তীর্ণ জনপদ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। যমুনার চরাঞ্চলের চরকাটারী ইউনিয়নে নদী ভাঙনের শিকার এলাকার খেটে খাওয়া মানুষ ঘরবাড়ি ও জিনিসপত্র অন্যত্র সরিয়ে নিচ্ছে নতুন করে বাঁচার আশায়। ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত দিশেহারা মানুষজন যমুনা নদীর চরে নিজের ভিটেমাটি হারিয়ে অন্যের জমির উপর খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবন-যাপন করছে।

গত দুই মাসে যমুনার ও ধলেশ্বরীর ভাঙনে উপজেলার বাঁচামারা ইউনিয়নের চুয়াডাঙ্গা, বাঁচামারা ঘোষপাড়া, কল্যাণপুর, বাঁচামারা উত্তরখণ্ড, সুবুদ্দিয়া, চরকাটারী ইউনিয়নের কাঁঠালতলী, লালপুর, চরকাটারি, ডাক্তারপাড়া, বাগপাড়া, মন্ডলপাড়া, কামারপাড়া, বাঘুটিয়া ইউনিয়নের মুন্সীকান্দী, রাহাতপুর, কাশিদারামপুর, ব্রামনদী, পুড়ানপাড়া, পারুরিয়া, জিয়নপুর ইউনিয়নের বরটিয়া, লাউতারা, বৈন্যা, আমতলী, ভাঙ্গা আবুডাঙ্গা, খলসী ইউনিয়নের রোহা, পাররৌহা, চকমিরপুর ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর এবং কালিকাবাড়ি গ্রামের ৯শ পরিবারের বসতভিটা ও আবাদি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। একই সঙ্গে বাঁচামারা-দৌলতপুর সড়কের বৈন্যা নামক স্থানে পাকা সড়ক নদীগর্ভে বিলীন হওয়ায় সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।

জিয়নপুর ইউপি চেয়ারম্যান মো. বেলায়েত হোসেন ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমকে জানান, বৈন্যা, আবুডাঙ্গা, ধুলট, বড়টিয়া এবং লাউতারা গ্রামের বাড়িঘর কোমড় পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে প্রায় দুই হাজার পরিবারের সদস্যদের খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি, জ্বালানি লাকড়ি এবং গো-খাদ্যের সংকট দেখা দিয়েছে। অপরদিকে আমতলী উচ্চবিদ্যালয়, আমতলী গরুর হাট, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বৈন্যা পাকা রাস্তাসহ, ২/৩টি ব্রিজ ভাঙনের মুখে রয়েছে।

দৌলতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ শফিউর রহমান ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমকে জানান, আমি নতুন যোগদান করেছি। এলাকা পরিদর্শন ও বন্যার্তদের সাহায্যার্থে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে আলাপ করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হবে।

ওয়াজ কুরুনীস্বদেশের খবর
গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টি ও যমুনা-ধলেশ্বরী নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় দৌলতপুর উপজেলার বাঁচামারা, বাঘুটিয়া, চরকাটারী, জিয়নপুর, খলশী, চকমিরপুর, ধামশ্বর ও কলিয়া ইউনিয়নের ৪০টি গ্রামের প্রায় ২০ হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন। যমুনা ও ধলেশ্বরী নদীতে হঠাত্ পানি বৃদ্ধি এবং নদীর করাল গ্রাস ও ভাঙনের ফলে ৮শ বসতবাড়ি, পাকা রাস্তা,...