বিশেষ প্রতিবেদক ।
সেক্স টুরিজ়ম! ভারতের হায়দরাবাদ ও সংলগ্ন এলাকায় সবথেকে বড় ক্রাইম এটাই। আর এর সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছে দুর্নীতিগ্রস্ত কাজিদের নামও। বিদেশীদের চাহিদা মেটাতে তারাই নাকি মুসলিম মেয়েদের টাকার বিনিময়ে বিয়ে দিচ্ছে বলে অভিযোগ। সেইসঙ্গে টাকার লোভ দেখিয়ে বহু নাবালিকার অভিভাবকদেরও প্রলুব্ধ করা হচ্ছে। তবে, বিয়ে হচ্ছে একটা চুক্তির মাধ্যমে। চার সপ্তাহের সেই চুক্তি মিটতেই বধূকে তালাকও দিয়ে দেওয়া হচ্ছে। মূলত, বিদেশীদের যৌন চাহিদা মেটাতেই একটি চক্র কাজ করছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। আর তাই বিয়ের সার্টিফিকেটের সঙ্গে তৈরি রাখা হচ্ছে বিবাহবিচ্ছেদের ডকুমেন্টও।

পুলিশের কাছে এই রিপোর্ট আসে সম্প্রতি। জানা গেছে, এক নাবালিকাকে পুলিশ উদ্ধার করে মোঘলপুরা থেকে। তার কাছ থেকে পুলিশ জানতে পেরেছে, ওই নাবালিকার বাবা-মা একজন সুদানিজ় ব্যক্তির কাছ থেকে ১২০০ পাউন্ড নেন। এবং তাকে উসামা মোহাম্মদ নামে ওই সুদানিজ়ের কাছে পাঠানোরও আশ্বাস দেন। ওই নাবালিকার চাচী মমতাজ় বেগম তাকে ও অন্য তিনজনকে একটি হোটেলে নিয়ে যান। পরে উসামা আরও দু’জন ব্যক্তিকে নিয়ে আসে নাবালিকাদের বাড়ি। একজন কাজ়ি তাদের বিয়েও দেন।
বিজয় কুমার নামে পুলিশের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, ওই সুদানিজ় ব্যক্তি বিয়ের পরেরদিন নাবালিকা বধূর বাড়ি যায়। তারসঙ্গে দৈহিক মিলনের জন্যও জোর করে। কিন্তু, ওই নাবালিকা ঘর থেকে পালিয়ে আসে। এরপর তাকে উদ্ধার করে পুলিশ পেট্রলিং টিম। গ্রেপ্তার করা হয়েছে বর, নাবালিকার কাকিমা ও কাজ়িকে। গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছে নাবালিকার অভিভাবকদের বিরুদ্ধেও। সরকারি হোমে পাঠানো হয়েছে ওই নাবালিকাকে।
খবর ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমের।

http://crimereporter24.com/wp-content/uploads/2019/02/210.jpghttp://crimereporter24.com/wp-content/uploads/2019/02/210-300x200.jpgহীরা পান্নাএক্সক্লুসিভ
বিশেষ প্রতিবেদক । সেক্স টুরিজ়ম! ভারতের হায়দরাবাদ ও সংলগ্ন এলাকায় সবথেকে বড় ক্রাইম এটাই। আর এর সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছে দুর্নীতিগ্রস্ত কাজিদের নামও। বিদেশীদের চাহিদা মেটাতে তারাই নাকি মুসলিম মেয়েদের টাকার বিনিময়ে বিয়ে দিচ্ছে বলে অভিযোগ। সেইসঙ্গে টাকার লোভ দেখিয়ে বহু নাবালিকার অভিভাবকদেরও প্রলুব্ধ করা হচ্ছে। তবে, বিয়ে হচ্ছে একটা চুক্তির...