1442478879
কুমিল্লার মুরাদনগরে মাদক ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের সঙ্গে পুলিশের প্রায় ঘণ্টাব্যাপী সংর্ঘষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় মুরাদনগর থানার দুই এসআইসহ ৫ পুলিশ আহত হন। পুলিশ মাদক ব্যবসায়ী মনিরকে ১৫১ পিস ইয়াবাসহ মোট ৫ জনকে আটক করে। বুধবার সন্ধ্যায় ধামঘর ইউনিয়নের কৃষ্ণপুরে এ ঘটনা ঘটে। আটককৃতদের বৃহস্পতিবার দুপুরে কুমিল্লা জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

আটককৃতরা হলো: কৃষ্ণপুর গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে মনির ওরফে নয়ন মনি (২৮), রশিদ মেম্বারের ছেলে সোহেল রানা(১৮), আবু তাহেরের ছেলে শাহজালাল (১৮), আব্দুর রশিদের ছেলে শাহ্পরান (২৮) ও মৃত আকমত আলীর ছেলে রাকিব ভূঁইয়া (৪২)।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, কৃষ্ণপুর গ্রামের মাদক ব্যবসায়ী মনিরের বাড়িতে ইয়াবার একটি চালান এসেছে- এই সংবাদ পেয়ে মুরাদনগর থানার এসআই মাহবুবুর রহমান পিপিএম ও নুরুল আলমের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ক্রেতা সেজে ইয়াবা কিনতে যান। ইয়াবাসহ মনিরকে হাতে নাতে পুলিশ আটক করে। মাদক ব্যবসায়ীর সিন্ডিকেটের সদস্যরা তাকে ছিনিয়ে নেয়ার জন্য পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এ সময় প্রায় ঘণ্টাব্যাপী সংর্ঘষ চলে। এতে এসআই মাহবুবুর রহমান পিপিএম ও নুরুল আলমসহ ৫ পুলিশ আহত হন। আহত পুলিশ সদস্যদের মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ তিন জনকে আটক করে। রাতে অভিযান চালিয়ে আরও দুইজনকে আটক করে। এ ঘটনায় এসআই নুরুল আমিন বাদি হয়ে মাদক দ্রব্য আইনে ৪ জনকে আসামি ও পুলিশের ওপর হামলায় ১৪ জনের নামসহ ২৫ জনের নামে পৃথক দুইটি মামলা দায়ের করেন।

মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমকে জানান, আটক মনির একজন পেশাধার মাদক ব্যবসায়ী। তিনি একটি মামলার ওয়ারেন্ট ভুক্ত আসামি। পুলিশের ওপর হামলার ঘটনার সঙ্গে জড়িতদেরে গ্রেফতারের অভিযান অব্যাহত আছে।

ওয়াজ কুরুনীস্বদেশের খবর
কুমিল্লার মুরাদনগরে মাদক ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের সঙ্গে পুলিশের প্রায় ঘণ্টাব্যাপী সংর্ঘষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় মুরাদনগর থানার দুই এসআইসহ ৫ পুলিশ আহত হন। পুলিশ মাদক ব্যবসায়ী মনিরকে ১৫১ পিস ইয়াবাসহ মোট ৫ জনকে আটক করে। বুধবার সন্ধ্যায় ধামঘর ইউনিয়নের কৃষ্ণপুরে এ ঘটনা ঘটে। আটককৃতদের বৃহস্পতিবার দুপুরে কুমিল্লা জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। ...