1437903384
কুমিল্লার মুরাদনগরে যুবক শামসুল ইসলাম মনিরকে হাত-পা, চোখ বেঁধে পিটিয়ে ও পায়ের রগ কেটে হত্যার অভিযোগে গৃহকত্রী নাছিমা বেগমকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। শনিবার রাত সাড়ে ১১টায় উপজেলার কাজিয়াতল গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

ডিবির এস.আই ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শাহ কামাল আকন্দ গ্রেফতারের বিষয়য়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, রবিবার দুপুরে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

জানা যায়, শামসুল ইসলাম মনিরকে বিদেশে পাঠানোর কথা বলে মোহাম্মদ আলী টাকা নিয়েছিল। সেই টাকা গত ১৪ জুলাই মঙ্গলবার ভোরে ফেরত দেওয়ার কথা বলে মোহাম্মদ আলী মনিরকে ভোর রাতে ফোন করে টাকা নিয়ে যাওয়ার কথা বলে, পরে মনির টাকা আনতে গেলে তাকে আটক করে। পরে মসজিদের মাইকে ডাকাত ঘোষণা দিলে উত্তেজিত গ্রামবাসী প্রকাশ্যে নির্যাতন চালিয়ে ও পায়ের রগ কেটে তাকে হত্যা করে। পরে হত্যার চিত্র ফেইজবুক ও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেয়া হয়। এ নিয়ে এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

এ ঘটনায় নিহতের বাবা মোসলেম উদ্দিন বাদী হয়ে ঐ দিন সন্ধ্যায় গৃহকর্তা ময়নাল হোসেন, আবদুল কুদ্দুস, মসজিদের ঈমাম আবুল হাছান, রুহুল আমিন, মো: শরীফ ও নজরুল ইসলামের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরো ১০/১৫ জনের বিরুদ্ধে মুরাদনগর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এই মামলায় এরইমধ্যে পুলিশ মসজিদের ইমাম আবুল হাছানকে (২৮) তার নিজ বাড়ী বাঞ্ছারামপুর উপজেলার চরলহনিয়া গ্রাম থেকে গ্রেফতার করে জেলহাজতে প্রেরণ করেছে।
এদিকে মামলা দায়েরের পর দিনই তা তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয় ডিবি পুলিশকে।

তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবির এস.আই শাহ কামাল আকন্দ জানান, গ্রেফতার হওয়া মসজিদের ঈমামের জবানবন্দী এবং মামলার তদন্তে ঘটনার সাথে গৃহকত্রী নাছিমার সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়ায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

ঘটনার সাথে জড়িত অপর আসামিদের গ্রেফতারে ডিবির অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলওি জানান তিনি।

সুরুজ বাঙালীস্বদেশের খবর
কুমিল্লার মুরাদনগরে যুবক শামসুল ইসলাম মনিরকে হাত-পা, চোখ বেঁধে পিটিয়ে ও পায়ের রগ কেটে হত্যার অভিযোগে গৃহকত্রী নাছিমা বেগমকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। শনিবার রাত সাড়ে ১১টায় উপজেলার কাজিয়াতল গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। ডিবির এস.আই ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শাহ কামাল আকন্দ গ্রেফতারের বিষয়য়টি...