1440942571
‘খড়িয়া গ্রামের ভাঙ্গন রোধে সোমবার থেকেই ড্রেজিং শুরু হবে। ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে চরের বাড়তি অংশ কেটে বর্তমান ভাঙ্গন প্রবণ অঞ্চল গড়িয়ার সামনের পদ্মা নদীতে ফেলা হবে। এতে ভাঙ্গন প্রতিরোধ হবে এবং পদ্মার মূল ধারা প্রবাহ স্বাভাবিক হবে।’

রবিবার পদ্মা সেতুর কন্সট্রাকশন ইয়ার্ড ঘেঁষা মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার খড়িয়া গ্রামে পদ্মার ভয়াবহ ভাঙ্গন ‘রেসকিউ বোর্ডে করে’ ঘুরে দেখার পর নৌ পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান এ কথা বলেন। এ সময় পানি সম্পদ মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল ইসলাম মিয়া উপস্থিত ছিলেন।

পানি সম্পদ মন্ত্রী বলেন, খড়িয়া গ্রামকে রক্ষায় সরকার সব রকমরের চেষ্টা চালাবে। এরই মধ্যে পদ্মা সেতুর সংশ্লিষ্ট এলাকায় নদী ভাঙ্গন রোধে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। তাই বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা করে জরুরি ভিত্তিতে খড়িয়া গ্রামটি রক্ষায় ড্রেজিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত কয়েক দিনে গ্রামটির অন্তত এক শ ৫৫ পরিবার গৃহহারা হয়েছে। ঘরবাড়ি ছাড়াও বিলীন হয়ে গেছে শিমুলিয়া বাজারের একাংশ, সরকারি পিচঢালা রাস্তা, পুকুর, গরুর খামার, অসংখ্য গাছপালা, বৈদ্যুতিক পুলসহ নানা স্থাপনা। হুমকির মুখে রয়েছে বহু স্থাপনা। জরুরি ভিত্তিতে লঙ্গরখানা খোলা হয়েছে। অসহায় ৮৮ পরিবার স্থানীয় উত্তর খড়িয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আশ্রয় নিয়েছে।

ওয়াজ কুরুনীজাতীয়
‘খড়িয়া গ্রামের ভাঙ্গন রোধে সোমবার থেকেই ড্রেজিং শুরু হবে। ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে চরের বাড়তি অংশ কেটে বর্তমান ভাঙ্গন প্রবণ অঞ্চল গড়িয়ার সামনের পদ্মা নদীতে ফেলা হবে। এতে ভাঙ্গন প্রতিরোধ হবে এবং পদ্মার মূল ধারা প্রবাহ স্বাভাবিক হবে।’ রবিবার পদ্মা সেতুর কন্সট্রাকশন ইয়ার্ড ঘেঁষা মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার খড়িয়া গ্রামে পদ্মার...