1437564228
সাগরে ভাসমান অবস্থায় মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে উদ্ধার হওয়া আরো ১৫৫ জন বাংলাদেশী নাগরিককে আজ পতাকা বেঠকের মাধ্যমে দেশে ফেরৎ আনা হয়েছে। পতাকা বৈঠকের পর বিজিবির কাছে এসব বাংলাদেশীকে হস্তান্তর করে মিয়ানমারের ইমিগ্রেশন বিভাগ। তবে সেখানে থাকা আরো ৩৭৯ জন বাংলাদেশী কে প্রাথমিক ভাবে সনাক্ত করনের কথা জানিয়েছে বিজিবি।

বুধবার সকাল ১০ টা ৪৫ মিনিটের সময় বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তের ঘুমধুম জিরো পয়েন্টে দিয়ে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে যান বিজিবি’র ১০ সদস্যের প্রতিনিধি দল। এর পর বেলা ১১ টার দিকে শুরু হয় পতাকা বৈঠক। প্রায় ৩ ঘন্টা ব্যাপী পতাকা বৈঠক অনুষ্টিত হয়। এর পর চলে ১৫৫ বাংলাদেশীকে বুঝিয়ে নেয়ার কার্যক্রম। বৈঠক আর বুঝিয়ে নেয়ার কার্যক্রম শেষ করে বেলা সাড়ে ৩ টার দিকে ১৫৫ বাংলাদেশী নাগরিককে নিয়ে ফেরৎ আসে বিজিবি’র প্রতিনিধি দল।

মিয়ানমারের ঢেকিবনিয়া সীমান্তে বিজিপি ক্যাম্পে মিয়ানমার ইমিগ্রেশন এন্ড ন্যাশনাল রেজিষ্ট্রি ডিপার্টমেন্ট এর সাথে বিজিবির পতাকা বৈঠক অনুষ্টিত হয়।

বৈঠকে বাংলাদেশের ১০ সদস্যে প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন ১৭ বিজিবি’র অধিনায়ক লে. কর্ণেল মো. রবিউল ইসলাম। মিয়ানমারের পক্ষে নেতৃত্ব মিয়ানমার থেকে আরো ১৫৫ বাংলাদেশী ফিরেছে নিজ দেশেদেন মিয়ানমার ইমিগ্রেশন এন্ড ন্যাশনাল রেজিষ্ট্রি ডিপার্টমেন্ট এর পরিচালক চ.নারিং। বৈঠক শেষে বাংলাদেশী ১৫৫ জন নাগরিক কে ফেরৎ দেয়া হয়।

এতে বাংলাদেশের ১৪ টি জেলার নাগরিক রয়েছে। এর মধ্যে নারায়ন গঞ্জের ৪১ জন,জিনাইদাহ এর ১২,মাদারী পুরের ১৫ জন,কুষ্টিয়ার ৪ জন,মাগুরার ৪ জন, পাবনার ১২ জন,যশোরের ৯ জন,সিরাজ গঞ্জের ২৪ জন, চুয়াডাঙ্গার ১১ জন,কুমিল্লার ৫ জন,জয়পুর হাটের ৪ জন,সুনাম গঞ্জের ৮ জন সাতক্ষিরার ২ জন ও ফরিদ পুরের ৪ জন বাসিন্দা রয়েছে বলে কক্সবাজারের পুলিশ সুপার শ্যামল কান্তি নাথ জানিয়েছেন।

ফেরত আনা বাংলাদেশীদের কক্সবাজার জেলা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। সীমান্ত এলাককায় উপস্তিত থেকে ১৫৫ বাংলাদেশীকে বুঝে নেন কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তোফায়েল আহমদ।

সেখান থেকে কক্সবাজার জেলা পুলিশ তাদের নিয়ে আসে কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে। এখানে তাদের সব কিছু দেখা শুনার দায়িত্ব দেয়া হয় আর্ন্তজাতিক অভিবাসন সংস্থা আই ও এম কে।

মিয়ানমার থেকে আরো ১৫৫ বাংলাদেশী ফিরেছে নিজ দেশেবৈঠক শেষ ঘুমধুম সীমান্ত এলাকায় বিজিবি’র কক্সবাজার সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার কর্নেল এম এম আনিসুর রহমান ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমকে জানান,মিয়ানমারে থাকা আরো ৩৭৯ বাংলাদেশীকে প্রাখমিক ভাবে সনাক্ত করা হয়েছে।

১৭ বিজিবি’র অধিনায়ক লে. কর্ণেল মো. রবিউল ইসলাম ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমকে জানিয়েছেন,গত ২১ মে মিয়ানমারের জলসীমা থেকে সাগরে ভাসমান অবস্থায় উদ্ধার হওয়া ২০৮ জন অভিবাসীকে উদ্ধার করে মিয়ানমার। এদের মধ্যে যাচাই-বাছাই শেষে বাংলাদেশী হিসেবে শনাক্ত ১৫০ জনকে ৮ জুন এবং ৩৭ জনকে ১৯ জুন ফেরত আনা হয়। এর মধ্যে ২৯ মে মিয়ানমারের জলসীমা থেকে দেশটির নৌ-বাহিনী আরো ৭২৭ জন অভিবাসী প্রত্যাশীদের উদ্ধার করে। এদের মধ্য থেকে ১৫৫ জনকে ফেরত আনা হলো গতকাল বুধবার। এ নিয়ে ৩ দফায় বাংলাদেশ ৩৪২ জন নাগরিক কে ফেরৎ এনেছে।

– See more at: http://www.dainikamadershomoy.com/2015/07/22/38602.php#sthash.hdbjiUjU.dpuf

শুভ সমরাটআন্তর্জাতিক
সাগরে ভাসমান অবস্থায় মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে উদ্ধার হওয়া আরো ১৫৫ জন বাংলাদেশী নাগরিককে আজ পতাকা বেঠকের মাধ্যমে দেশে ফেরৎ আনা হয়েছে। পতাকা বৈঠকের পর বিজিবির কাছে এসব বাংলাদেশীকে হস্তান্তর করে মিয়ানমারের ইমিগ্রেশন বিভাগ। তবে সেখানে থাকা আরো ৩৭৯ জন বাংলাদেশী কে প্রাথমিক ভাবে সনাক্ত করনের কথা জানিয়েছে...