press-club_105925
ফেনীর দাগনভূঞায় এক নারী ও তার মেয়েকে ধর্ষণের পর সেই নগ্ন ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ জন্য ওই নারী দাগনভূঞা উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবদীন মামুনসহ তিনজনকে দায়ী করেন। তিনি এ ঘটনায় থানায় মামলাও করেছেন।

শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ওই নারী বলেন, ২০১৩ সালের সেপ্টেম্বরে দাগনভূঞা উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান জয়নাল আবদীন মামুন, তাঁর ভাই সাইফউদ্দিন লিটু ও তাঁদের কয়েকজন সহযোগী তাঁকে ও তাঁর মেয়েকে ধর্ষণ করেন। ওই সময় অভিযুক্তরা তাঁর নগ্ন ছবি তুলে রাখেন। পরে তিনি অভিযুক্তদের আসামি করে থানায় মামলা করেন। কিন্তু থানা পুলিশ জয়নাল আবদীনকে আসামি না করে ঘটনার সাক্ষী বানায়। এরপর অভিযুক্তরা বিভিন্ন সময়ে তাঁকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমকে আরও জানান, গত জানুয়ারি মাসে ভাইস চেয়ারম্যান জয়নাল আবদীন, তাঁর ভাই সাইফুদ্দিন ও জামালউদ্দিন নামে আরেক ব্যক্তি তাঁর নগ্ন ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে দেন। এ ঘটনা জানতে পেরে তিনি সোনাগাজী বাজারের একটি কম্পিউটারের দোকান থেকে ছবি সংগ্রহ করে গত ৫ মার্চ ফুলগাজী থানায় উপরোক্ত তিনজনকে আসামি করে একটি মামলা করেন। সর্বশেষ গত রমজান মাসেও অভিযুক্তরা তাঁর বাড়িতে গিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দেন। তিনি তাঁকে ও তাঁর পরিবারকে রক্ষা করতে প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও সংশ্লিষ্টদের প্রতি আবেদন জানান।

এ প্রসঙ্গে পুলিশের এক কর্মকর্তা ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমকে বলেন, ওই নারী গত মার্চ মাসে জয়নাল আবদীনকে প্রধান আসামি করে পর্ণোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা করেছেন। তিনি শুরুতে মামলাটি তদন্ত করলেও বর্তমানে সিআইডি মামলাটি তদন্ত করছে। হুমকি প্রসঙ্গে দাগনভূঞা থানার ওসি আসলাম উদ্দিন ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমকে বলেন, ওই নারীকে হুমকি দেওয়ার বিষয়ে কেউ থানায় অভিযোগ করেননি।

তুনতুন হাসানস্বদেশের খবর
ফেনীর দাগনভূঞায় এক নারী ও তার মেয়েকে ধর্ষণের পর সেই নগ্ন ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ জন্য ওই নারী দাগনভূঞা উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবদীন মামুনসহ তিনজনকে দায়ী করেন। তিনি এ ঘটনায় থানায় মামলাও করেছেন। শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে...