image_264733.pronob
ছোটবেলায় গোপালের চেয়ে রাখালের সঙ্গেই বেশি মিল ছিল তাঁর। শিক্ষক দিবসের আগে দিল্লির ড. রাজেন্দ্র প্রসাদ সর্বোদয়া বিদ্যালয়ে পড়ুয়াদের সঙ্গে আলাপচারিতায় শৈশবের ফিরে গেলেন ভারতের রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়।
তিনি আদৌ গোপালের মতো সুবোধ ছিলেন না। ছোটবেলায় সাংঘাতিক দুষ্টু ছিলেন তিনি। তাঁকে সামলাতে হিমশিম খেতে হত মাকে। তিনি জানিয়েছেন, মা-ই তাঁর আদর্শ শিক্ষক। তাঁর জীবনের সমস্ত সাফল্যর পিছনে রয়েছে এই মানুষটিরই কৃতিত্ব। তাঁর মা তাঁকে শিখিয়েছেন, পরিশ্রমের কোনও বিকল্প নেই।
দিনের শেষে বাড়ি ফিরে এলে মা ছেলের কাছে সারাদিনের কাজকর্ম সম্পর্কে জানতে চাইতেন। সেই মতো প্রত্যেকদিন সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত সমস্ত ঘটনা তিনি মাকে জানাতেন। তিনি বলেছেন, আমি কোনও দিনই মেধাবি ছাত্র ছিলাম না। তবে খুব পরিশ্রমী ছিলাম। মজার ছলে রাষ্ট্রপতি বলেন, অনেকটা হাঁটতে হত বলে স্কুলে যেতে চাইতাম না। তাই মা বলেছিলেন, এমন কলেজে ভর্তি করাবেন, যেখান থেকে হস্টেল খুব কাছে হবে। প্রতিশ্রুতি রেখেছিলেন মা।
আজ স্কুলে পড়ুয়াদের ইতিহাস ও সংবিধানের পাঠ দেন রাষ্ট্রপতি। ক্লাসে তিনি বলেন, আজ আমি কোনও মন্ত্রী বা রাষ্ট্রপতি নই, আমি তোমাদের ‘মুখার্জী স্যার’।
স্কুলের পড়ুয়াদের তিনি বলেন, মা-ই আসলে প্রত্যেকের জীবনে আদর্শ শিক্ষক। – সূত্র : এবিপি

সুরুজ বাঙালীআন্তর্জাতিক
ছোটবেলায় গোপালের চেয়ে রাখালের সঙ্গেই বেশি মিল ছিল তাঁর। শিক্ষক দিবসের আগে দিল্লির ড. রাজেন্দ্র প্রসাদ সর্বোদয়া বিদ্যালয়ে পড়ুয়াদের সঙ্গে আলাপচারিতায় শৈশবের ফিরে গেলেন ভারতের রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়। তিনি আদৌ গোপালের মতো সুবোধ ছিলেন না। ছোটবেলায় সাংঘাতিক দুষ্টু ছিলেন তিনি। তাঁকে সামলাতে হিমশিম খেতে হত মাকে। তিনি জানিয়েছেন, মা-ই তাঁর...