1_107912
ফরিদপুরে একই পরিবারের চার সদস্যকে অচেতন করে ঘরের সর্বস্ব লুট করে চম্পট দিয়েছে ভাড়াটিয়া। রবিবার রাতে পৌরসভার চর কমলাপুরের একটি বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। পরে পরিবারের সদস্যদের অসুস্থাবস্থায় উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, আক্রান্তরা এখনো শংকামুক্ত নয়।

অসুস্থরা হলেন ওই পরিবারের কর্তা মো. মঞ্জুরুল ইসলাম (৬৫), স্ত্রী রহিমা হক (৫০), ছেলে আদনান আহমেদ রনি (২৮) ও মেয়ে ফারজানা হক পরমা (১৮)।

মঞ্জুরুলের ভায়রা জহিরুল ইসলাম ও মঞ্জুরুল ইসলাম ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমকে জানান, ৮-১০ দিন আগে তাদের অব্যবহৃত বাড়িটি ভাড়া দেওয়া হয়। এরপর দ্রততম সময়ে ওই ভাড়াটিয়ারা বাড়িওয়ালাদের সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তোলে। এমন কী রান্না করা খাবারও দেওয়া-নেওয়া করে।

শনিবার রাতে ভাড়াটিয়াদের দেওয়া খাবার খেয়ে রাতে ঘুমিয়ে পড়ে সবাই। এরপর আর কেউ ঘুম থেকে উঠেনি। রবিবার রাত নয়টার দিকে বাড়ির কর্তা মঞ্জুরুল ইসলামের চেতনা ফিরে এলে বাড়ির সদস্যদের এলোমেলো পড়ে থাকতে দেখে ও ঘরের সব তছনছ করা দেখতে পেয়ে প্রতিবেশীদের জানায়।

খবর পেয়ে কোতয়ালী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে অসুস্থদের উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। এ ঘটনার পর থেকে ভাড়াটিয়ারা স্ব-পরিবারে পলাতক রয়েছে।

চিকিৎসক ডা. গণপতি বিশ্বাস শুভ ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমকে জানান, অসুস্থদের অবস্থা কিছুটা ভালো হলেও আরো কয়েকঘন্টা না গেলে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না। চিকিৎসকের ভাষ্য, খাবারের সঙ্গে মাত্রাতিরিক্ত অচেতন করার ওষুধ খাওয়ানো হয়েছে।

তাহসিনা সুলতানাস্বদেশের খবর
ফরিদপুরে একই পরিবারের চার সদস্যকে অচেতন করে ঘরের সর্বস্ব লুট করে চম্পট দিয়েছে ভাড়াটিয়া। রবিবার রাতে পৌরসভার চর কমলাপুরের একটি বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। পরে পরিবারের সদস্যদের অসুস্থাবস্থায় উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, আক্রান্তরা এখনো শংকামুক্ত নয়। অসুস্থরা হলেন ওই পরিবারের কর্তা মো. মঞ্জুরুল...