image_261263.felani-border-murder_77518
আগামী ৬ অক্টোবর আলোচিত ফেলানী হত্যায় দায়ের করা রিটের শুনানি ভারতের সুপ্রিম কোর্টে শুরু হবে। বুধবার বিকালে ভারতের মানবাধিকার সুরক্ষা মঞ্চ (মাসুম) এর পরিচালক কিরীটি রায় একথা জানান। তিনি বলেন, আইন ও সালিশ কেন্দ্র ও মানবাধিকার সুরক্ষা মঞ্চের সহযোগিতায় ভারতের সুপ্রিম কোর্টে গত ১৪ অগাস্ট রিট আবেদন করেন ফেলানীর বাবা নুরুল ইসলাম। আবেদনে বাদী বিএসএফ আদালতে এ হত্যাকাণ্ডের বিচারের পুনর্বিচার এবং তার ক্ষতিপূরণের দাবি করেন। তারই পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার আদালত আগামী ৬ অক্টোবর মামলার শুনানির দিন নির্ধারণ করে বলে জানান কিরীটি রায়।

কুড়িগ্রামের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট আব্রাহাম লিংকন বলেন, যেহেতু ভারতীয় সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি রিটটির শুনানির তারিখ নির্ধারণ করেছেন, সেহেতু ন্যায় বিচার পাওয়ার দ্বার উন্মোচনের একটি সুযোগ আমাদের হাতে এসেছে।

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার দক্ষিণ রামখানা ইউনিয়নের বানার ভিটা গ্রামের নুরুল ইসলাম প্রায় ১০ বছর ধরে দিল্লিতে ছিলেন। সেখানে তার সঙ্গেই থাকত ফেলানী। দেশে বিয়ে ঠিক হওয়ায় ২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি কুড়িগ্রামের অনন্তপুর সীমান্ত দিয়ে বাবার সঙ্গে ফেরার পথে কাঁটাতারের বেড়ায় কাপড় আটকে যায় ফেলানীর। এতে ভয়ে চিৎকার দিলে বিএসএফ তাকে গুলি করে হত্যা করে এবং পরে লাশ নিয়ে যায়। কাঁটাতারের বেড়ায় ফেলানীর ঝুলন্ত লাশের ছবি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে বিশ্বজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি হয়। পরে বাংলাদেশ সরকার ও মানবিকার সংস্থাগুলোর কড়া প্রতিবাদে বিচারের ব্যবস্থা হলেও ২০১৩ সালের ৬ সেপ্টেম্বর বিএসএফের আদালত আসামি বিএসএফ সদস্য অমিয় ঘোষকে বেকসুর খালাস দেয়।

ফেলানীর পরিবারের আপত্তিতে বিএসএফ মহাপরিচালক রায় পুনর্বিবেচনার আদেশ দিলে ২০১৪ সালের ২২ সেপ্টেম্বর নতুন করে শুনানি শুরু হয়। কিন্তু পুনর্বিচারে একই আদালত তাদের পুরনো রায় বহাল রাখে।

বাহাদুর বেপারীআইন-আদালত
আগামী ৬ অক্টোবর আলোচিত ফেলানী হত্যায় দায়ের করা রিটের শুনানি ভারতের সুপ্রিম কোর্টে শুরু হবে। বুধবার বিকালে ভারতের মানবাধিকার সুরক্ষা মঞ্চ (মাসুম) এর পরিচালক কিরীটি রায় একথা জানান। তিনি বলেন, আইন ও সালিশ কেন্দ্র ও মানবাধিকার সুরক্ষা মঞ্চের সহযোগিতায় ভারতের সুপ্রিম কোর্টে গত ১৪ অগাস্ট রিট আবেদন করেন ফেলানীর...