7

রাশেদুল হাসান শাহিন ।
রাজধানীর মোহাম্মদপুর ঢাকা উদ্যান সংলগ্ন তুরাগ নদীর পূর্ব পাড় দখলের পর, র্দীঘদিন চুপসে থাকা মনির বাহিনী এবার কৌশল পাল্টে দখল প্রক্রিয়ার কার্যক্রম শুরু করেছে নতুন ভাবে।খবর ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমের।
তুরাগ নদীর ঢাকা উদ্যান সংলগ্ন বির্তকিত বাগান বাড়ির পর এবার পশ্চিম পাশে বড় বরদেশী মৌজার হাউজিং ব্যবসার নামে সরকারী খাল, এনিমি প্রপার্টি, অবৈধ কাগজের মালিকানাধীন কিছু জায়গা ও ব্যক্তি মালিকানার কিছু জায়গার স্বমন্বয়ে বিশাল জায়গা জুড়ে, গড়ে তুলতে যাচ্ছে আরো একটি অপরাধের আস্তানা। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সীমানার প্রায় চর্তুদিকে টিনের বাউন্ডারী ও জেনারেটার দিয়ে প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এক সময়ের আলোচিত গাংচিল বাহিনী ও বিলুপ্ত প্রায় হাজী বাহিনীর দলছুট কিছু চিহিৃত সন্ত্রাসী স্বমন্নয় করছিলো সন্ত্রাসী মনির বাহিনীর ক্যাডার হোসেনের সাথে। হোসেন নিজস্ব সন্ত্রাসী গ্রুপসহ বিশাল অপরাধ বাহিনীর পক্ষে, মনিরের আশ^াস ও সার্বিক সহযোগিতায় পুরো দখল প্রক্রিয়াটি সংঘঠিত হচ্ছে। প্রধান সড়ক থেকে ঢাকা উদ্যানমুখী রাস্তার প্রায় ২০/৩০ গজ পর পর ছদ্মবেশী কিছু লোক নজর রাখতে থাকে অপরিচিতদের গতিবিধি। অপরিচিতদের দেখা মাত্র মুঠোফোনে তাৎক্ষনিক খবর পৌঁছে দেওয়াই তাদের কাজ। পুরো প্রক্রিয়ার মূলহোতা, মোহাম্মদপুর এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী মনিরুজ্জামান মনির ও তার সাথে সংশ্লিষ্ট আরো কিছু ভূমিদস্যু। ঢাকা উদ্যানে বির্তকীত বাগান বাড়ি দখলের প্রক্রিয়া ও একই ছিল এই বাহিনী প্রধানের। এ সংক্রান্ত বিভিন্ন মামলা মোকাদ্দমার কারণে কিছুটা নিরবতার পর আবারো নতুন কৌশলে নতুন দখল কার্যক্রম শুরু করেছে এ অপরাধী। এলাকার মানুষ অজানা ভয়ে অনেকটা নিরবতা পালন করছে। কেউ বা সাহস করে কিছু বললে বা বাঁধা দিলে, নিশ্চিত প্রাণভয়, নির্যাতন ও ভিটেছাড়া হওয়ার আশংকায় চোখবুজে মনির বাহিনীর সব অপকর্ম হজম করছে। ইতিপূর্বে এ বাহিনী প্রধান মনিরের অবৈধ ব্যবসা, অবৈধ জমি দখল, সরকারী নদী সীমানা আইন লঙন, নিরপরাধ মানুষকে জিম্মি করে মুক্তিপন আদায়, বিভিন্ন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানে হামলা ও মালামাল ছিনতাই সহ বিভিন্ন অভিযোগে বেশ কিছু মামলাও হয়েছিল। প্রতি বারেই অপকৌশলের মাধ্যমে প্রভাব খাটিয়ে কোন না কোন ভাবে নিজেকে নিরাপদ রাখতে সক্ষম হয়েছে। এ্যাডভোকেট জিল্লুর রহমান (আকাশ নীলা হাউজিং) এর ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সাথে কথা বলে জানা যায় প্রায় ১০বছর যাবৎ উক্তস্থানে নিজেদের বৈধ আবাসিক ব্যবসার কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছিলেন। অর্তকিত ভাবে একদিন রাতে, মনির বাহিনী সশ¯্রভাবে ক্যাডার বাহিনী নিয়ে রাতের অন্ধকারেই পুরো জায়গা নিজেদের দখলে নিয়ে নেয়। নিজেদের ক্যাডার বাহিনীর লোক জন দিয়ে প্রায় ২৫ একর জায়গা জুড়ে টিনের বাউন্ডারী দিয়ে পুরো দমে কার্যক্রম শুরু করে দেয়। এব্যাপারে সাভার থানায় একটি মামলাও করা হয়েছে বলে তিনি জানান। ২৬ মার্চ বিকেলে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মনিরুজ্জামান মনির বেশ কিছু লোকজনকে ঘটনাস্থলে কাজের বিভিন্ন দিক নির্দেশনা দিচ্ছেন। সাথে সহযোগিতা করছিলেন একই গ্রুপের সদস্য মিজান (মনিরের বোন জামাই)। এসব ব্যাপারে মনিরের সাথে কথা বলতে চাইলেও তার মুঠোফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। নদী পাড়ে ভূমি দখলের পাশাপাশি এ বাহিনীর আরো কিছু কাজ হলো, লোকজনকে জিম্মি করে নিজস্ব বাগান বাড়িতে টর্চার সেলে আটকে রেখে মুক্তিপন আদায় করা। এ প্রক্রিয়ায় ইতিপূর্বে মাইজুল, মোবারক, সুবল, নারায়ন, সিদ্দিক পাটোয়ারী সহ আরো কিছু লোকজন নির্যাতনের শিকার হয়েছিল, এসব ব্যাপারে মোহম্মদপুর থানায় মামলাও হয়। একসময় দুজন হিন্দু শ্রমিককে জোড় করে কলেমা পড়িয়ে নির্যাতন করে, মুসলিম করে দেওয়ার চেষ্টাসহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে এ বাহিনী প্রধান মনিরের বিরুদ্ধে। সচেতন এলাকাবাসী এসব অপকর্ম ঠেকাতে এখনই প্রশাসন, গণমাধ্যম সহ কার্যকরি প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতা চাইছেন। নতুবা সামাজিক সুষ্ঠপরিবেশ হুমকির মুখে পড়বে বলে আশংকা করছেন সচেতন মহল।
খবর ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমের।

http://crimereporter24.com/wp-content/uploads/2017/03/734.jpghttp://crimereporter24.com/wp-content/uploads/2017/03/734-300x300.jpgশিশির সমরাটপ্রথম পাতা
রাশেদুল হাসান শাহিন । রাজধানীর মোহাম্মদপুর ঢাকা উদ্যান সংলগ্ন তুরাগ নদীর পূর্ব পাড় দখলের পর, র্দীঘদিন চুপসে থাকা মনির বাহিনী এবার কৌশল পাল্টে দখল প্রক্রিয়ার কার্যক্রম শুরু করেছে নতুন ভাবে।খবর ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমের। তুরাগ নদীর ঢাকা উদ্যান সংলগ্ন বির্তকিত বাগান বাড়ির পর এবার পশ্চিম পাশে বড় বরদেশী...