1441902584
১৯৯৯ সালের বিশ্বকাপে পাকিস্তান ইচ্ছাকৃত ম্যাচ ছেড়ে দিয়েছে বলে দাবি করেছেন সাবেক অধিনায়ক জাভেদ মিয়াঁদাদ। তিনি আরও জানান, ১৯৯৯ সালে তিনি কোচের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন; কারণ কয়েক খেলোয়াড় প্রকাশ্যে দুর্নীতি ও অনৈতিক কাজে জড়িয়ে পড়েছিলেন।
মিয়াঁদাদ আরও দাবি করেন, তিনি এ ব্যাপারটি ওই সময় পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যানকে অবহিতও করেছিলেন। মিয়াঁদাদ বলেন, ‘আমি ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান খালিদ মেহমুদকে ব্যাপারটি খুলে বলেছিলাম। আমি বলেছিলাম তিনি যেন ব্যবস্থা নেন। আমি বুঝতে পারছিলাম পাকিস্তান ক্রিকেট ক্ষতিগ্রস্ত হতে যাচ্ছে। আমার এই সচেতনতা তারা পাত্তাই দেননি। তাই ১৯৯৯ সালে আমি কোচের দায়িত্ব থেকে সরে যেতে বাধ্য হই।’
মিয়াঁদাদ পাকিস্তানের হয়ে ১২৪টি টেস্ট খেলেছেন। এছাড়া ২৩৩টি ওয়ানডে ম্যাচেও ভালো করেছেন তিনি। মিয়াঁদাদ পিসিবির ডিরেক্টর জেনারেল পদেও কাজ করেছেন। তিনি জানান, ১৯৯৯ সালে খেলোয়াড়রা দিবালোকেই দুর্নীতি করছিল। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ১৯৯৯ সালে পাকিস্তান ক্রিকেটে দুর্নীতির বীজ বোনা হয়েছিল।’
১৯৯৯ সালে বিশ্বকাপ ছিল ইংল্যান্ডে। এই বিশ্বকাপ শুরুর সপ্তাহখানেক আগে কোচের পদ থেকে অব্যাহতি নেন মিয়াঁদাদ। কয়েক খেলোয়াড় মিয়াঁদাদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছিলেন। অনেকে মিয়াঁদাদের অধীনে খেলতে রাজি হননি। মিয়াঁদাদকে ২ সিনিয়র খেলোয়াড় শারজায় (বিশ্বকাপের আগে) ড্রেসিং রুমে ব্যাট দিয়ে মারতেও চেয়েছেন। জং পত্রিকাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মিয়াঁদাদ বলেন, ‘সাঈদ আনোয়ার আমার কাছে এসে ক্ষমা চেয়েছেন। তিনি আমার বিরোধিতা করার পাশাপাশি জুনিয়র ক্রিকেটারদের বিদ্রোহের জন্য উসকে দিয়েছিলেন। বিশ্বকাপে এই ক্রিকেটাররাই বাংলাদেশের কাছে হেরে বসে। এই হারের পুরো দায়িত্ব তাদের নিতে হবে। এরপর বিশ্বকাপের ফাইনালে যা হয়েছে তা ইতিহাস হয়ে গেছে (১৯৯৯ বিশ্বকাপের ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরে যায় পাকিস্তান)।’

অর্ণব ভট্টখেলাধুলা
১৯৯৯ সালের বিশ্বকাপে পাকিস্তান ইচ্ছাকৃত ম্যাচ ছেড়ে দিয়েছে বলে দাবি করেছেন সাবেক অধিনায়ক জাভেদ মিয়াঁদাদ। তিনি আরও জানান, ১৯৯৯ সালে তিনি কোচের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন; কারণ কয়েক খেলোয়াড় প্রকাশ্যে দুর্নীতি ও অনৈতিক কাজে জড়িয়ে পড়েছিলেন। মিয়াঁদাদ আরও দাবি করেন, তিনি এ ব্যাপারটি ওই সময় পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের...