1441695216
উত্সবের আনন্দকে পরিপূর্ণ করতে নতুন পোশাক না হলে যেন সবকিছুই পানসে হয়ে যায়। যদিওবা ঈদুল আজহাতে সবাই সেই অর্থে পোশাকের দিকে গুরুত্ব কম দিয়ে থাকেন। তবে কেউ কেউ সাধ্যমতো নতুন পোশাক কিনেন। নতুন পোশাক মানেই বৈচিত্র্য থাকা চাই। সাথে থাকতে হবে মানানসই জুতা, ব্যাগ ও অন্যান্য অনুষঙ্গ।

ঈদকে সামনে রেখে নতুন পোশাকের ক্রেতারা ভিড় করছেন দেশীয় ফ্যাশন হাউস কিংবা শপিংমলের বিভিন্ন ব্র্যান্ডের পোশাকের আউটলেটে। উত্সবের পোশাক বিধায় একটু দেখে-বুঝে কিনতে চান সবাই। যেন পছন্দের পোশাকটি বৈচিত্র্যময় হয়। সেইসাথে পোশাকের সাথে মিলিয়ে জুতা, স্যান্ডেল কিংবা ব্যাগ ও অন্যান্য অনুষঙ্গ কিনতে হবে। এই সময়ে বৈচিত্র্যময় পোশাক ও অন্যান্য অনুষঙ্গ নিয়ে কথা বলেছেন দেশীয় ফ্যাশন হাউস ল্যাভেন্ডারের স্বত্বাধিকারী ও ফ্যাশন ডিজাইনার শফিকুল ইসলাম শুভ।

তিনি ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমকে বলেন, ‘দেশীয় ফ্রেবিক্সে ভিনদেশি কাট ও আধুনিকতার ছোঁয়া দিয়ে কিশোরী থেকে তরুণ, যুবক থেকে বৃদ্ধা, সবার জন্যই গরমে আরামদায়ক পোশাক তৈরি করতে পারেন। তবে পোশাকের সাথে আপনি কীভাবে নানা অনুষঙ্গের ব্যবহার করছেন সেটাও একটা মুখ্য বিষয়। স্কার্ট কিংবা প্যান্ট কাটিং পালাজ্জো ওপরে লম্বা জ্যাকেট আবার লম্বা কুর্তির উপরে ও সেমি লং কোটি ব্যবহার করতে পারেন। ইচ্ছা করলে ভেতরে হাতাকাটা শর্ট কুর্তি ও ট্যাং পরে নিতে পারেন। হাতা কাটা লং গাউনের উপরে ও অ্যাটাচড সেমি লং জ্যাকেট ও নিচে চুড়িদার অথবা লেগিন্স ব্যবহার করা যায়।

এছাড়াও কলেজ বা ইউনিভার্সিটিগামী টিনএজ মেয়েরা লং টিকিং লুজ প্যান্টের সাথে মাঝারি সাইজের গোলাকৃতি কুর্তি পরলে যেকোনো গঠনের শরীরের অনায়াসে মানিয়ে যাবে বেশ। কম এবং মাঝারি বয়সের মেয়েরা ফিউশনধর্মী কাপড়ে বেশি স্বাছন্দ্যবোধ করেন। সেজন্য সামনে ঈদকে চিন্তা করে গরমে সুতি ও আরামদায়ক ফিউশনধর্মী এবং শকিং কালারগুলোর উপর ডিজাইনাররা বেশি গুরুত্ব দিয়ে থাকে।

ভ্যাবসা গরম ও হঠাত্ বৃষ্টির কথা চিন্তা করে কালারগুলো অবশ্যই সময় উপযোগী লেমন, পিচ, কপার, পারপেল, সাদা, কালো কম্বিনেশনের ফ্রেবিক্স ব্যবহার করতে হবে। যেহেতু সামনে ঈদুল আজহা। সেজন্য ফ্রেবিক্সগুলো একটু গর্জিয়াস হওয়া চাই। জরজেট, লিলেন, সিল্ক, কটন, পিউর শিফন, বোকেট ও জামেবারের মতো রিচ লুকের কাপড়গুলোর উপর গুরুত্ব দিয়ে আমরা নান্দনিক ডিজাইনের পোশাক বানিয়েছি। আর পোশাকের সাথে মানানসই জুতা, ব্যাগ, অর্নামেন্টসও পাওয়া যাবে আমাদের আউটলেটগুলোতে।

ফেডিস্ জুতা দাম পড়বে ১৫৫০ থেকে ৩৫৫০ টাকা, সিঙ্গেল কুর্তি ১২৫০ থেকে ২৫৫০ টাকা, লং ব্রাউন সেট ৪৫০০ টাকা থেকে ৯৫৫০ টাকা, শর্ট টি-শাট ও শর্ট কুর্তি ৬৫০ থেকে ১২৫০ টাকা, লেডিস ব্যাগ ১২৭৫ থেকে ৩৫৫০ টাকা, কানের দুল, গলার সেট ও হাতের ব্রেসলেট ৫৫০ থেকে ১৯৫০ টাকায় পাওয়া যাবে।’ তবে মনে রাখতে হবে, যে পোশাকেই কিনুন না কেন, তার মাধ্যমে যেন আপনার ব্যক্তিত্ব ফুটে ওঠে পুরোপুরি। সাচ্ছন্দ্যবোধ, উত্সবের আমেজ আর চলতি ধারা—সব মিলিয়ে হবে পোশাক নির্বাচন। উত্সবের দিনগুলো সবার আনন্দে কাটুক।

বাহাদুর বেপারীলাইফ স্টাইল
উত্সবের আনন্দকে পরিপূর্ণ করতে নতুন পোশাক না হলে যেন সবকিছুই পানসে হয়ে যায়। যদিওবা ঈদুল আজহাতে সবাই সেই অর্থে পোশাকের দিকে গুরুত্ব কম দিয়ে থাকেন। তবে কেউ কেউ সাধ্যমতো নতুন পোশাক কিনেন। নতুন পোশাক মানেই বৈচিত্র্য থাকা চাই। সাথে থাকতে হবে মানানসই জুতা, ব্যাগ ও অন্যান্য অনুষঙ্গ। ঈদকে...