1441880365
বেনাপোল বন্দর থেকে অর্ধকোটি টাকার শুল্ক ফাঁকি দিয়ে আমদানিকৃত থ্রি-পিস একটি চালান পাচার করার সময় আটক করেছে কাষ্টম শুল্ক গোয়েন্দা বিভাগ। বুধবার বিকালে চালানটি হাতে নাতে আটক করা হয়। এ সময় সিএন্ডএফ এজেন্ট সোনার গাঁ এজেন্সি এ চালানটির খালাস প্রক্রিয়া চলছিল।

এর আগে এ সিএন্ডএফ এজেন্ট প্রতিষ্ঠানটির বিপরীতে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে পন্য পাচারের একাধিক অভিযোগ রয়েছে বলে বেনাপোল কাস্টমসের একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে।

কাষ্টম গোয়েন্দা বিভাগ জানায় ৩১ আগস্ট মেনিফিষ্ট নং ৩৭৬০৭-এর বিপরীতে ঢাকার আমদানি কারক দিওয়ান ইন্টারন্যাশনাল ও ভারতের কোলকাতার রফতানি কারক বালাজি ট্রেডিং-এর কাছ থেকে ২৫ হাজার ৫৮০ মার্কিন ডলার মূল্যের ৫ হাজার ৫০০ পিচ থ্রি-পিস ও ২ হাজার ৫০০ কেজি ফ্রেবিকস আমদানী করে। চালানটি ছাড় করানোর জন্য একাধিক লাইসেন্স ব্যবহারকারি শরিফ মোহাম্মদ হ্যাপি সিএন্ডএফ এজেন্টের কাগজপত্র দাখিল করে।
শুল্ক কর্তপক্ষ চালানটির পরিক্ষণ শেষ করে প্রতিবেদন দাখিল করেন। এটি খালাশের সময় কাষ্টম ও শুল্ক গোয়েন্দা অধিদফতর বেনাপোল গোপন সংবাদে চালানটি খালাশ বন্ধ করে দেয়।

পরে যৌথভাবে পুনঃপরীক্ষণের নির্দেশ দেন কাষ্টম কমিশনার। যৌথ পরীক্ষণে চালানের মধ্যে ১৪ হাজার ৫০০পিচ থ্রি-পিস ও ৩ হাজার ৫৭৯ কেজি ফ্রেবিকস পাওয়া যায়। তা ঘোষণার প্রায় ৩ গুন বেশি। এ চালানটি থেকে ৪৪ লাখ টাকার রাজস্ব ফাঁকি দেয়া হচ্ছিল বলে ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমকে জানান কাষ্টম কর্তৃপক্ষ। চালানটি থেকে শুল্ক করাদি বাবদ ৫৪ লাখ টাকা এবং জরিমানা বাবদ ১০ লাখ টাকা রাজস্ব আদায় করা হয়েছে। চালনটি ছেড়ে দেয়া হয়েছে।

এ ব্যাপারে বেনাপোল কাস্টমস কর্তৃপক্ষ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমকে জানায়, বেনাপোলের একটি সিএন্ডফ এজেন্ট বিপুল পরিমাণ শুল্ক ফাঁকি দিয়ে বন্দর থেকে পাচার করে নিয়ে যাওয়ার সময় চালানটি আটক করে জরিমানাসহ ৬৪ লাখ টাকা শুল্ক আদায় করা হয়েছে। সিএন্ডএফ এজেন্ট ও আমদানী কারকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ওয়াজ কুরুনীস্বদেশের খবর
বেনাপোল বন্দর থেকে অর্ধকোটি টাকার শুল্ক ফাঁকি দিয়ে আমদানিকৃত থ্রি-পিস একটি চালান পাচার করার সময় আটক করেছে কাষ্টম শুল্ক গোয়েন্দা বিভাগ। বুধবার বিকালে চালানটি হাতে নাতে আটক করা হয়। এ সময় সিএন্ডএফ এজেন্ট সোনার গাঁ এজেন্সি এ চালানটির খালাস প্রক্রিয়া চলছিল। এর আগে এ সিএন্ডএফ এজেন্ট প্রতিষ্ঠানটির বিপরীতে...