আন্তর্জাতিক ডেস্ক ।
ভারতের সোনারপুরে গাছের সঙ্গে দড়ি দিয়ে হাত-পা বেঁধে ঘরের বাইরে রাস্তায় ফেলে রাখা হয়েছিল এক বৃদ্ধাকে। একে তো ঠাণ্ডা, তার ওপর মশার কামড়।খবর ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমের।
চলার ক্ষমতা প্রায় নেই। চিৎকার করে সাহায্য চাওয়ার ক্ষমতাও হারিয়েছেন ৯০ বছর বয়সের ওই বৃদ্ধা।

গত সোমবার বিকেলে খবর পেয়ে রাজপুর-সোনারপুর পৌরসভার পৌরপ্রধান পল্লবকান্তি দাস গিয়ে বৃদ্ধাকে উদ্ধার করেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, সোনারপুরের কোদালিয়ার চলপাড়ার বাসিন্দা মীনা দাস দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় ভুগছিলেন। কয়েকদিন ধরে মীনার ছেলে খোকন এবং বৌমা রীতা তাঁকে ঘর থ‌েকে বের করে দিয়ে গাছের সঙ্গে বেঁধে রেখেছিলেন।

মীনা দাসের কয়েকজন প্রতিবেশী জানান, প্রতিদিন সকালে মীনাকে ঘর থেকে বের করে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখা হতো। পরে সন্ধ্যায় ঘরে ঢুকিয়ে নেওয়া হতো ওই বৃদ্ধাকে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ওই বৃদ্ধার ছেলের স্ত্রী রীতা জানান, হাত-পা না বেঁধে রাখলে শাশুড়ি প্রায়ই অন্য কোথাও চলে যেতেন। সেই বিড়ম্বনা থেকে বাঁচতেই শাশুড়িকে বেঁধে রাখা হয়েছিল!
খবর ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমের।

http://crimereporter24.com/wp-content/uploads/2017/11/546.jpghttp://crimereporter24.com/wp-content/uploads/2017/11/546-300x300.jpgশিশির সমরাটআন্তর্জাতিক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক । ভারতের সোনারপুরে গাছের সঙ্গে দড়ি দিয়ে হাত-পা বেঁধে ঘরের বাইরে রাস্তায় ফেলে রাখা হয়েছিল এক বৃদ্ধাকে। একে তো ঠাণ্ডা, তার ওপর মশার কামড়।খবর ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমের। চলার ক্ষমতা প্রায় নেই। চিৎকার করে সাহায্য চাওয়ার ক্ষমতাও হারিয়েছেন ৯০ বছর বয়সের ওই বৃদ্ধা। গত সোমবার বিকেলে খবর...