bd4-290x169
শঙ্কাটা পুরনো। সত্যি হওয়াটা সময়ের ব্যাপার। জাতীয় দল থেকে বাদ পড়া ‘বয়সী ক্রিকেটার’দের প্রতি আগ্রহ নেই বিসিবির। নির্বাচকদের সঙ্গে কথা বলে আভাস পাওয়া গেছে, আসন্ন ‘এ’ দলের সফরেও তাদের ঠাঁই মিলবে না। বিসিবি কর্তাদের ভাবখানা এমন, তারা এখন বুড়োদের দলে। সঙ্গত কারণে শাহরিয়ার নাফিস, জুনায়েদ সিদ্দিকি, অলক কাপালির মতো ক্রিকেটারদের লাল-সবুজ জার্সিতে ফেরার দরজা স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে বলেই ধরে নেয়া যায়।

হাইপারফর্ম্যান্স ইউনিট দল ঘোষণা করার সময়ই প্রশ্ন উঠেছিল, কেন রাজ্জাক, সোহাগ, নাফিস, অলক কাপালিকে এই আয়োজনের অংশ করা হয়নি। এরপর ‘পনি’তেও তাদের ব্রাত্য রাখা হয়। জানা গেছে, এ দলের আফ্রিকা এবং জিম্বাবুয়ে সফরেও তাদের বিবেচনা করা হবে না।

অস্ট্রেলিয়া সিরিজকে সামনে রেখে কন্ডিশনিং ক্যাম্পের জন্য ২৭ জনের একটা লম্বা তালিকা করা হয়েছে। ২২ আগস্ট থেকে শুরু হবে এই ক্যাম্প। অস্ট্রেলিয়া ঢাকায় আসবে ২৮ সেপ্টেম্বর। এর মধ্য থেকে কয়েকজনকে এ দলের সামনের দুটি সফরের জন্য বিবেচনা করা হবে। অক্টোবর-নভেম্বরে আফ্রিকা এবং জিম্বাবুয়ে সফর করবে বাংলাদেশ এ দল। হাইপারফর্ম্যান্স স্কোয়াড থেকেও কয়েকজন নেয়া হবে। সেপ্টেম্বরের তিন তারিখ এই দুই সিরিজের প্রস্তুতি শুরু হবে। ক্রিকেটাররা আফ্রিকার উদ্দেশে দেশ ছাড়বেন ১৪ অক্টোবর। সেখানে দুটি একদিনের ম্যাচ এবং একটি তিন দিনের ম্যাচ খেলে তারা উড়াল দিবেন জিম্বাবুয়ে।

নির্বাচকরা অলক, নাফিসদের এখনই শেষ না দেখলেও, তাদের সম্ভাবনাটা খুব কমই দেখছেন। পাইপ লাইনে থাকা মাহমুদুল হাসান এবং সাদমান ইসলামদের প্রতিই তাদের বেশি আগ্রহ।

নাফিস, রাজ্জাকদের এই মুহূর্তে দলে ফেরানোর চিন্তা করা আসলেই ভুল। স্রোতে থাকা গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়ই এখন কম্বিনেশনের কারণে টিম যায়গা পান না। যার সর্বশেষ উদাহরণ সৌম্য সরকার। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টেস্টে তিনি খেলতে পারেননি। তাই বলে রাজ্জাক, নাফিসের মতো ক্রিকেটারদের ‘এ’ দলেও যায়গা হবে না?

প্রশ্নটি জনে জনে হলেও উত্তর কিন্তু একটাই- না!

হীরা পান্নাখেলাধুলা
শঙ্কাটা পুরনো। সত্যি হওয়াটা সময়ের ব্যাপার। জাতীয় দল থেকে বাদ পড়া ‘বয়সী ক্রিকেটার’দের প্রতি আগ্রহ নেই বিসিবির। নির্বাচকদের সঙ্গে কথা বলে আভাস পাওয়া গেছে, আসন্ন ‘এ’ দলের সফরেও তাদের ঠাঁই মিলবে না। বিসিবি কর্তাদের ভাবখানা এমন, তারা এখন বুড়োদের দলে। সঙ্গত কারণে শাহরিয়ার নাফিস, জুনায়েদ সিদ্দিকি, অলক কাপালির মতো...