মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) সংবাদদাতা ।
মির্জাপুর এসকে পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠ দখল করে বিজয় মেলার নামে চলছে জুয়া। বুধবার উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে দেখা গেছে প্রতারক চক্র নানা প্রলোভন দেখিয়ে লটারির টিকেট বিক্রি করছেন। খবর ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমের।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, গত ১ ডিসেম্বর থেকে মির্জাপুরে মাস ব্যাপি বিজয় মেলার জন্য টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করেন উপজেলা প্রশাসনের পক্ষে উপজেলা পরিষদ। মেলায় মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয়, হাউজি, জুয়া খেলাসহ অশ্লীল নাচ-গান, অন্য কোন অশালীন ও অসামাজিক কার্যকলাপ বন্ধ রাখাসহ কিছু শর্তে দিয়ে এই আবেদন করা হয়। কিন্ত জেলা প্রশাসক মেলা করার জন্য কোন অনুমোদন দেননি বলে জানা গেছে। জেলা প্রশাসকের অনুমোদন ছাড়াই মেলার আয়োজক কমিটি গত ১ ডিসেম্বর থেকে মির্জাপুর এসকে পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে মাস ব্যাপী বিজয় মেলা শুরু করেছে।মেলার প্রথম দিন থেকে লটারির নামে শুরু হয় জুয়া।

ক্যাবল লাইনে দিন রাত প্রচারণা চালানো হচ্ছে। তাদের সহযোগিতা করেচ্ছেন উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা পরিষদসহ উপজেলার ক্ষমতাসীন দলের বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী নেতা।

জানা গেছে, মেলা কমিটি প্রতিদিন সকাল থেকে মাইকের সাহায্যে প্রচারণা চালিয়ে প্রায় ২০০-৩০০টি পিকআপ ভ্যান, অটো টেম্পো, সিএনজি ও অটো রিকশায় বিভিন্ন উপজেলায় ও গ্রামে লটারির টিকিট বিক্রি করে আসছে। প্রতিটি টিকেট এর মূল্য ধরা হয়েছে ২০ টাকা।এই সব লটারি বিক্রির গাড়িতে নিয়ে আসা হচ্ছে মোটারসাইকেল, বাই সাইকেলসহ বিভিন্ন পুরস্কার।

মির্জাপুর এসকে পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মো. শামীম আল মামুন ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমকে বলেন, স্কুল মাঠে বিজয় মেলায় লটারির নামে জুয়া হওয়ায় মাইকের শব্দে বার্ষিক পরীক্ষা দিতে ছাত্র-ছাত্রীদের মারাত্মক ভাবে সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে।

উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মীর এনায়েত হোসেন মন্টু ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইসরাত সাদমীন ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমকে বলেন, বিজয় মেলায় লটারির কোন অনুমোদন দেওয়া হয়নি। মেলার অনুমোদন দেওয়ার এখতিয়ার জেলা প্রশাসক মহোদয়ের। বুধবার পর্যন্ত জেলা প্রশাসক মেলা করার কোন অনুমোদন দেননি বলে তারা জানিয়েছেন।

জেলা পুলিশ সুপার মো. মাহবুব আলমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমকে বলেন, পুলিশের পক্ষ থেকে মেলায় লটারির নামে কোন অনুমোদন দেওয়া হয়নি। জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে শুধু মেলা করার অনুমোদন দেওয়া হবে বলে তিনি জানতে পেরেছেন। বিজয় মেলার নামে যদি সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয় তবে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা প্রশাসক খান মো. নুরুল আমীনের কাছে বিষয়টি জানতে তার মোবাইলে একাধিকারবার যোগাযোগ করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
খবর ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমের।

http://crimereporter24.com/wp-content/uploads/2017/12/76.jpghttp://crimereporter24.com/wp-content/uploads/2017/12/76-300x300.jpgজান্নাতুল ফেরদৌস মেহরিনস্বদেশের খবর
মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) সংবাদদাতা । মির্জাপুর এসকে পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠ দখল করে বিজয় মেলার নামে চলছে জুয়া। বুধবার উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে দেখা গেছে প্রতারক চক্র নানা প্রলোভন দেখিয়ে লটারির টিকেট বিক্রি করছেন। খবর ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমের। অনুসন্ধানে জানা গেছে, গত ১ ডিসেম্বর থেকে মির্জাপুরে...