UCHCHA ADALOT
জামিন জালিয়াতির অভিযোগে হাইকোর্টের তৎকালীন বিচারপতি সৈয়দ শাহিদুর রহমানের অপসারণ আদেশ বহাল রেখেছে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বেঞ্চ বুধবার এই আদেশ দেন।

২০০৩ সালের ১ অক্টোবর সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে আইনজীবী সমিতির প্রাক্তন সভাপতি ব্যারিস্টার রোকনউদ্দিন মাহমুদ আইনজীবীদের একটি সমাবেশে বিচারপতি সৈয়দ শাহিদুর রহমানের বিরুদ্ধে একজন আসামিকে জামিন পাইয়ে দেওয়ার জন্য টাকা নেওয়ার অভিযোগ করেন। এ বিষয়টি তদন্তের জন্য তৎকালীন রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহম্মদ সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলকে নির্দেশ দেন।

২০০৩ সালের ৬ ডিসেম্বর তৎকালীন প্রধান বিচারপতি কে এম হাসানের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের জুডিশিয়াল কাউন্সিল বিচারপতি সৈয়দ শাহিদুর রহমানের যাবতীয় কার্যক্রমকে ‘প্রকাশযোগ্য নয়’ বলে ঘোষণা করেন।

সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল বিচারপতি সৈয়দ শাহিদুর রহমানকে অপসারণ করতে রাষ্ট্রপতির কাছে সুপারিশ করেন।

২০০৪ সালের ২০ এপ্রিল রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহম্মদ বিচারপতি সৈয়দ শাহিদুর রহমানকে অপসারণের আদেশ দেন। ওই দিনই তাকে অপসারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এই আদেশের বিরুদ্ধে বিচারপতি সৈয়দ শাহিদুর রহমান হাইকোর্টে রিট করলে হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ ২০০৫ সালে অপসারণের আদেশকে অবৈধ ঘোষণা করেন। হাইকোর্টের এই আদেশের বিরুদ্ধে ইদ্রিসুর রহমান নামের এক আইনজীবী সুপ্রিম কোর্টে আপিল করেন।

বুধবার আপিল বিভাগ শুনানি শেষে রাষ্ট্রপতির অপসারণের আদেশ বহাল রাখলেন।

তাহসিনা সুলতানাআইন-আদালত
জামিন জালিয়াতির অভিযোগে হাইকোর্টের তৎকালীন বিচারপতি সৈয়দ শাহিদুর রহমানের অপসারণ আদেশ বহাল রেখেছে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বেঞ্চ বুধবার এই আদেশ দেন। ২০০৩ সালের ১ অক্টোবর সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে আইনজীবী সমিতির প্রাক্তন সভাপতি ব্যারিস্টার রোকনউদ্দিন মাহমুদ আইনজীবীদের একটি সমাবেশে বিচারপতি সৈয়দ...