1440582656
কয়েক দফা পেছানোর পর বাংলাদেশ বার কাউন্সিল নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। বুধবার সকাল ১০টা থেকে সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতি ভবনে ও জেলা সদরের সব দেওয়ানী আদালত প্রাঙ্গণে শুরু হওয়া ভোট গ্রহণ চলবে বিকাল ৫টা পর্যন্ত। এছাড়া বাজিতপুর, ঈশ্বরগঞ্জ, দূর্গাপুর, ভাঙ্গা, চিকন্দি, পটিয়া, সাতকানিয়া, ফটিকছড়ি, সন্দ্বীপ, হাতিয়া, নবীনগর ও পাইকগাছাসহ ৭৭টি কেন্দ্রে ভোট প্রদান চলছে। কেন্দ্রগুলোতে আদালতের বিচারকেরা প্রিজাইডিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করছেন।

গত ২০ মে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ভোটার তালিকা নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় নির্বাচন স্থগিত করে দেন হাইকোর্ট। পরে বিষয়টি সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গড়ায়। সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ভোটার তালিকা সংশোধনের নির্দেশ দিয়ে ২৬ আগস্ট ভোট গ্রহণের নতুন দিন ধার্য করেন। সংশোধিত ভোটার তালিকা অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে ভোটার সংখ্যা ৪৩হাজার ৩০২জন। জাল ভোট প্রতিরোধে ভোটকেন্দ্রে নিজের জাতীয় পরিচয়পত্র ও নিজ আইনজীবী সমিতির পরিচয়পত্র নিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

এদিকে নির্বাচনকে ঘিরে মঙ্গলবার আইনজীবীরা সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতিসহ দেশের বিভিন্ন জেলা বারে প্রচারণা শেষ করেন। নিজ নিজ প্যানেলের পক্ষে প্রচারণা চালানো হয়। আইনজীবীরা মনে করছেন, সরকার-সমর্থিত সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদ ও বিএনপি-সমর্থিত জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য প্যানেলের প্রার্থীদের মধ্যেই নির্বাচনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে। এর বাইরেও আরো দুটি প্যানেল থেকে আইনজীবীরা নির্বাচনে লড়ছেন।

নির্বাচনে ১৪টি সদস্য পদের জন্য চূড়ান্তভাবে ৬১জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে সাধারণ আসনে সাতজন এবং গ্রুপ আসনে সাতজন প্রার্থী নির্বাচিত হবেন। একজন আইনজীবী সাধারণ আসনে সাতজন প্রার্থীকে এবং নিজ অঞ্চলের জন্য গ্রুপ আসনে একজন প্রার্থীকে ভোট দিতে পারবেন। এবার সাধারণ আসনে ৩২জন এবং গ্রুপ আসনে ২৯ জন প্রার্থী নির্বাচনে লড়ছেন।

সাধারণ আসনে সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদের (সাদা প্যানেল) প্রার্থীরা হলেন সুপ্রিম কোর্ট বারের প্রাক্তন সভাপতি ব্যারিস্টার এম আমীর-উল ইসলাম, ব্যারিস্টার রোকনউদ্দিন মাহমুদ ও অ্যাডভোকেট আবদুল বাসেত মজুমদার, অ্যাডভোকেট আবদুল মতিন খসরু, অ্যাডভোকেট পরিমলচন্দ্র গুহ (পিসি গুহ), অ্যাডভোকেট জেড আই খান পান্না ও সুপ্রিম কোর্ট বারের প্রাক্তন সম্পাদক অ্যাডভোকেট শ ম রেজাউল করিম।

জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য প্যানেলের (নীল প্যানেল) প্রার্থীরা হলেন- সুপ্রিম কোর্ট বারের সভাপতি অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন, প্রাক্তন অ্যাটর্নি জেনারেল আবদুল জামির মোহাম্মদ আলী (এ জে মোহাম্মদ আলী), সুপ্রিম কোর্ট বার সম্পাদক ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন (খোকন), ঢাকা বারের প্রাক্তন সভাপতি অ্যাডভোকেট সানাউল্লাহ মিয়া, সুপ্রিম কোর্ট বারের প্রাক্তন সম্পাদক ব্যারিস্টার মো. বদরুদ্দোজা বাদল, ঢাকা বারের প্রাক্তন সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. বোরহানউদ্দিন ও অ্যাডভোকেট মো. মহসিন মিয়া।

এই দুই প্যানেল ছাড়াও আইনজীবী ঐক্য ফ্রন্ট মনোনীত প্যানেল থেকে সাধারণ আসনের প্রার্থীরা হলেন অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, অ্যাডভোকেট শাহ মো. খসরুজ্জামান, অ্যাডভোকেট এ কে এম জগলুল হায়দার আফ্রিক, অ্যাডভোকেট আব্দুল মোমেন চৌধুরী, অ্যাডভোকেট সরওয়ার ই-দীন, অ্যাডভোকেট মো. হেলাল উদ্দিন ও অ্যাডভোকেট মো. শামছুল হক। অপর একটি প্যানেলের নাম আইনজীবী ঐক্য পরিষদ, যার নেতৃত্বে রয়েছেন অ্যাডভোকেট ইউনুছ আলী আকন্দ।

হাসন রাজাআইন-আদালত
কয়েক দফা পেছানোর পর বাংলাদেশ বার কাউন্সিল নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। বুধবার সকাল ১০টা থেকে সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতি ভবনে ও জেলা সদরের সব দেওয়ানী আদালত প্রাঙ্গণে শুরু হওয়া ভোট গ্রহণ চলবে বিকাল ৫টা পর্যন্ত। এছাড়া বাজিতপুর, ঈশ্বরগঞ্জ, দূর্গাপুর, ভাঙ্গা, চিকন্দি, পটিয়া, সাতকানিয়া, ফটিকছড়ি, সন্দ্বীপ, হাতিয়া, নবীনগর ও পাইকগাছাসহ ৭৭টি...