image_258113.pic-19
বসবাসের জন্য সবচেয়ে খারাপ শহরের তালিকায় আবারও দ্বিতীয় হলো ঢাকা। যুক্তরাজ্যভিত্তিক আন্তর্জাতিক বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান- ইকোনমিস্ট ইনটেলিজেন্স ইউনিট (ইআইইউ) এই তালিকা প্রকাশ করেছে। সিরিয়ার দামাস্কাসের পরের অবস্থানেই রয়েছে ঢাকা। গত বছরও ঢাকা দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল। এবারও ঢাকার পাওয়া নম্বরেরও কোনো পরিবর্তন হয়নি। আর দামাস্কাস গত বছরের চেয়ে কম নম্বর পেয়েছে।
বিশ্বের ১৪০টি শহরের ওপর জরিপ করে প্রতিবছর ‘বৈশ্বিক বসবাস উপযোগিতা সূচক’ প্রকাশ করে ইআইইউ। অপরাধের মাত্রা, সংঘাতের ঝুঁকি, স্বাস্থ্যসেবার মান, বাধা-নিষেধের মাত্রা, তাপমাত্রা এবং শিক্ষা ও যোগাযোগব্যবস্থা বিবেচনায় নিয়ে বসবাসের উপযোগী শহরের ওই তালিকা করা হয়। এতে বসবাসের জন্য সবচেয়ে ভালো শহর বিবেচিত হয়েছে অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন। মোট ১০০ নম্বরের মধ্যে মেলবোর্নের নম্বর ৯৭.৫। আর ঢাকার নম্বর ৩৮.৭। দামাস্কাসের নম্বর ২৯.৩।
ইআইইউর সূচক তৈরিতে মোট ১০০ নম্বরের মধ্যে ২৫ নম্বর বরাদ্দ রাখা হয় স্থিতিশীলতার জন্য। ২০ নম্বর স্বাস্থ্যসেবার জন্য। এ ছাড়া সংস্কৃতি ও পরিবেশের জন্য ২৫ নম্বর, শিক্ষার জন্য ১০ এবং অবকাঠামোর জন্য ২০ নম্বর ধরে তালিকা করা হয়। মোটা দাগের এসব ক্যাটাগরির ভেতরে অবশ্য আরো অনেক সাব-ক্যাটাগরি থাকে।
যুদ্ধাবিধ্বস্ত দেশ সিরিয়ার রাজধানী দামাস্কাসের মতো স্থিতিশীলতার বড় সংকট না থাকলেও শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পরিবেশ ও অবকাঠামোর দিক দিয়ে ঢাকা অনেক পিছিয়ে আছে। এগুলোর কোনো উন্নতি হচ্ছে না বলেই বাজে শহরের তালিকায় ঢাকা প্রতিবছর খারাপ অবস্থানে থাকছে। এই নিয়ে তিন বছর ঢাকা বসবাসের অযোগ্য শহরের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থান পেল।
এ বছর বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ঢাকা কত নম্বর পেয়েছে তা জানা যায়নি। তবে গত বছর স্থিতিশীলতার দিক দিয়ে ১০০’র মধ্যে ঢাকার নম্বর ছিল ৫০। স্বাস্থ্যসেবায় ২৯.২, সংস্কৃতি ও পরিবেশে ৪৩.৩, শিক্ষায় ৪১.৭ ও অবকাঠামোতে ২৬.৮। গত বছর স্থিতিশীলতার দিক দিয়ে দামাস্কাসের নম্বর ছিল ১৫। অন্য তিন বিষয়ের দুটিতে দামাস্কাস এগিয়ে ছিল বাংলাদেশের চেয়ে। এমনকি স্থিতিশীলতার দিক দিয়ে পিছিয়ে থাকলেও শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অবকাঠামোর দিক দিয়ে পাকিস্তানের করাচি বাংলাদেশের চেয়ে অনেক এগিয়ে আছে।
বসবাসের যোগ্যতায় সবচেয়ে উন্নতি করেছে জিম্বাবুয়ের হারারে। গত পাঁচ বছরে ৫.১ পয়েন্ট বাড়িয়ে ওই শহরটি এখন ১৩৩ নম্বরে আছে। এ ছাড়া নেপালের কাঠমাণ্ডু, সংযুক্ত আরব-আমিরাতের দুবাই, চীনের পেইচিং, আজারবাইজানের বাকু ও কেনিয়ার নাইরোবিও আছে উন্নতির সেরা দশের তালিকায়। অবনতির দিক দিয়ে প্রথমেই আছে সিরিয়ার দামাস্কাস। এর পরের অবস্থানে ইউক্রেনের কিয়েভ, লিবিয়ার ত্রিপোলি, তিউনিসিয়ার তিউনিসসহ কয়েকটি শহর।
সেরা পাঁচ শহর : ইআইইউর তালিকায় সেরা পাঁচ শহরের তিনটি কানাডায় ও দুটি অস্ট্রেলিয়ায়। সেরা পাঁচ শহর ও প্রাপ্ত নম্বর হলো- অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন (৯৭.৫), অস্ট্রিয়ার ভিয়েনা (৯৭.৪), কানাডার ভ্যানকুভার (৯৭.৩) ও টরন্টো (৯৭.২) এবং যৌথভাবে অস্ট্রেলিয়ার অ্যাডিলেড (৯৬.৬) ও কানাডার ক্যালগেরি (৯৬.৬)।
অযোগ্য পাঁচ শহর : বসবাসের অযোগ্য শীর্ষ পাঁচ শহর হলো- সিরিয়ার দামাস্কাস (২৯.৩), বাংলাদেশের ঢাকা (৩৮.৭), পাপুয়া নিউগিনির পোর্ট মোরসবি (৩৮.৯), নাইজেরিয়ার লাগোস (৩৯.৭) ও লিবিয়ার ত্রিপোলি (৪০)।

শুভ সমরাটজাতীয়
বসবাসের জন্য সবচেয়ে খারাপ শহরের তালিকায় আবারও দ্বিতীয় হলো ঢাকা। যুক্তরাজ্যভিত্তিক আন্তর্জাতিক বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান- ইকোনমিস্ট ইনটেলিজেন্স ইউনিট (ইআইইউ) এই তালিকা প্রকাশ করেছে। সিরিয়ার দামাস্কাসের পরের অবস্থানেই রয়েছে ঢাকা। গত বছরও ঢাকা দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল। এবারও ঢাকার পাওয়া নম্বরেরও কোনো পরিবর্তন হয়নি। আর দামাস্কাস গত বছরের চেয়ে কম...