1441209386
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের সামনে ছুরি ও মন্ত্রফুঁকে এক শিশুর পা থেকে সাপের বিষ নামাচ্ছেন কথিত এক নারী ওঝা। গত সোমবার রাতে এ ঘটনাটি ঘটেছে।

খবর পেয়ে স্থানীয় সাংবাদিকরা ওই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ছুটে গিয়ে ঝাড়ফুঁকের ছবি ক্যামেরাবন্দী করেন। সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত আরএমও জরুরি বিভাগ থেকে বের হয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন সাংবাদিকদের ওপর। তিনি ক্ষুব্ধ কণ্ঠে বলেন, হাসপাতালের পরিবেশ সাংবাদিকরাই নষ্ট করেছেন।

জানা গেছে, গত সোমবার রাতে উপজেলার দক্ষিণ মুকসুদপুর খিয়ারডাঙ্গা এলাকার গাফ্ফার আলীর ছেলে আজম আলীকে (১৪) বাড়ির আঙিনায় সাপ কামড় দেয়। পরে তাকে রাত ৯টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। কিন্তু হাসপাতালে কোন ওষুধ না থাকায় রোগীর স্বজনরা মালেকা খাতুন (৫২) নামে এক ওঝাকে ডেকে আনে। ওই ওঝা জরুরি বিভাগের সামনে আজমের পায়ে তিন জায়গায় রশি দিয়ে বাঁধন দেন। এরপর তিনি ধারালো ছুরি হাতে নিয়ে মন্ত্রের নামে কুরুচিপূর্ণ কথা বলে যাচ্ছেন। মাঝে মাঝেই হুঙ্কার ছেড়ে ওই ওঝা রোগীর শরীরে সরষের তেল লাগিয়ে দিচ্ছেন। সেই সাথে শরীরে ছুয়ে দিচ্ছেন ধারালো ছুরি।

সাপেকাটা রোগী আজম আলীর ভগ্নিপতি আখেরুল ইসলাম ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমকে বলেন, আজম আলীকে রাতে বাড়ির আঙিনায় সাপে কাটে। এর পর দ্রুত হাসপাতালে আনলে ডাক্তার দেখে তাকে ভর্তি করে নেন। কিন্তু হাসপাতাল থেকে কোন ওষুধ দেয়া হয়নি। বিনা চিকিত্সায় সেখানে রোগীর অবস্থা খারাপের দিকে গেলে বাধ্য হয়ে ওই নারী ওঝাকে ডেকে আনা হয়।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডা. আমিনুল ইসলাম সরকার ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমকে বলেন, ‘একজন দায়িত্বপ্রাপ্ত আরএমও থাকার পরও সেখানে কিভাবে ওঝা সাপের বিষ নামান তা বুঝতে পারছি না। বিষয়টি দেখা হবে।’

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ওই রাতেই ওই রোগীকে চিকিত্সকরা রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছেন।

ওয়াজ কুরুনীস্বদেশের খবর
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের সামনে ছুরি ও মন্ত্রফুঁকে এক শিশুর পা থেকে সাপের বিষ নামাচ্ছেন কথিত এক নারী ওঝা। গত সোমবার রাতে এ ঘটনাটি ঘটেছে। খবর পেয়ে স্থানীয় সাংবাদিকরা ওই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ছুটে গিয়ে ঝাড়ফুঁকের ছবি ক্যামেরাবন্দী করেন। সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত আরএমও জরুরি বিভাগ থেকে বের...