assam-floods_063013094619_96691
ফেনীতে টানা বর্ষণে ও পাহাড়ী ঢলে প্লাবিত হওয়া সদর উপজেলা ও দাগনভূঞা উপজেলার অর্ধশতাধিক গ্রামের বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে। এসব গ্রামের দুই লক্ষাধিক মানুষ ৬দিন ধরে পানিবন্দি রয়েছে। কোমর পর্যন্ত পানিতে ডুবে যাওয়ায় এ দু’উপজেলার অন্তত সরকারী ও বেসরকারী মিলে ৫০টি বিদ্যালয়ের শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।

টানা ৫দিন ধরে বেশ কয়েকটি গ্রামের বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। বিদ্যুৎ বিহিন পানিবন্দি অবস্থায় চরম দুর্ভোগে পড়েছে ক্ষতিগ্রস্থ গ্রামবাসিরা। ময়লা পানিতে হাতে ও পায়ে ঘা হয়ে চর্ম রোগ দেখা দিচ্ছে পানিবন্দি মানুষের।

পানিবন্দি হয়ে পড়ায় সদর উপজেলার বিরুলি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ও দাগনভূঞার রাজাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুই শতাধিক পরিবার আশ্রয় নিয়ে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছে। সরকারী ভাবে বুধবার দাগনভূঞার বিভিন্ন গ্রামে যতসামন্য ত্রান বিতরণ করা হলেও বেশি ক্ষতিগ্রস্থরা বিশুদ্ধ খাবার পানি ও ত্রান না পাওয়ার অভিযোগ করেছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের ফেনীর নির্বাহী প্রকৌশলী রমজান আলী প্রমানিক ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমকে জানান, ছোট ফেনী নদীর নোয়াখালীর মুছাপুর রেগুলেটর অংশে ছোট ছোট বাঁধ দিয়ে স্থানীয়রা মাছ চাষ করার কারনে নদীর পানি নামতে সময় লাগছে। পানি নামার পর এই বাঁধসহ ফেনীর অংশে থাকা বাঁধ গুলো ভেঙ্গে ফেলা হবে। ফুলগাজীতে মুহুরী ও কহুয়া নদীর পানি প্রায় নেমে গেছে। পুরোপুরি নেমে যাওয়ার পর এইখানে ভেঙ্গে যাওয়া ৫টি বাঁধ মেরামত করা হবে বলেও তিনি জানান।

এদিকে আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দাগনভূঞা উপজেলায় বন্যা কবলিত এলাকার পানিবন্দি মানুষের মাঝে ত্রান হিসেবে নগদ টাকা, চাউল ও শুকনো খাবার বিতরণ করছেন ফেনী-২ আসনের সাংসদ নিজাম উদ্দিন হাজারী। মঙ্গলবার থেকে তিনি ফেনী সদর ও ফুলগাজী উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে বন্যার্তদের মাঝে নগদ টাকা, চাউল ও শুকনো খাবার বিতরণ করছেন।

ফেনী সদর উপজেলার পাঁচগাছিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মানিক ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমকে জানান, প্রশাসন থেকে সামান্য পরিমান সহযোগিতা করা হয়েছে। দাগনভূঞা উপজেলার জায়লস্কর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মামুনুর রশিদ মিলন জানান, বন্যার শুরু হওয়ার ৫দিন পর বুধবার সরকারী ভাবে নামে মাত্র ত্রান বিতরণ করা হয়েছে।

ফেনী সদর ২ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন হাজারী দাগনভূঞায় দুর্গতদের মাঝে ত্রান বিতরণ করতে এসে সাংবাদিকদের জানান যতদিন পর্যন্ত মানুষের ঘরে চুলা জলবেনা ততদিন পর্যন্ত তিনি ত্রান বিতরণ অব্যাহত রাখবেন। মঙ্গলবার থেকে তিনি ফেনী সদর, ফুলগাজী ও দাগনভূঞা উপজেলার বন্যা দুর্গত এলাকায় পানি বন্দিদের মাঝে ত্রান বিতরন করে আসছেন

কংকা চৌধুরীস্বদেশের খবর
ফেনীতে টানা বর্ষণে ও পাহাড়ী ঢলে প্লাবিত হওয়া সদর উপজেলা ও দাগনভূঞা উপজেলার অর্ধশতাধিক গ্রামের বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে। এসব গ্রামের দুই লক্ষাধিক মানুষ ৬দিন ধরে পানিবন্দি রয়েছে। কোমর পর্যন্ত পানিতে ডুবে যাওয়ায় এ দু’উপজেলার অন্তত সরকারী ও বেসরকারী মিলে ৫০টি বিদ্যালয়ের শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। টানা ৫দিন ধরে বেশ...