1438429892
টানা বর্ষণে সোনাগাজী উপজেলার কাজিরহাটে ১৭ দরজা বিশিষ্ট স্লুইচ গেইটটি ছোট ফেনী নদীর গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার মুছাপুর এলাকার সাগর মোহনায় ৪০ দরজা বিশিষ্ট নতুন স্লুইচ গেইটটির নির্মাণ কাজ অসম্পূর্ণ রয়ে গেছে। তাছাড়া সাগরেরর জোয়ারের পানি এবং কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম সীমান্ত দিয়ে ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল প্রবাহিত হচ্ছে। সবকিছু মিলিয়ে দাগনভূঞা উপজেলার ৫৫টি গ্রাম নতুন করে প্লাবিত হয়ে পড়েছে ।

এদিকে ফেনী সদর উপজেলার পাঁচগাছিয়া ইউনিয়নের ছোট ধলিয়া, ডমুরুয়া, এলাহিগঞ্জ, বিরলী, রতনপুর, উজালিয়া, ভগবানপুর গ্রাম এবং শর্শদী ইউনিয়নের আবুপুর গ্রাম প্লাবিত হওয়ায় এসব এলাকার বেশিরভাগ গ্রামীণ সড়ক পানিতে তলিয়ে গেছে।

দাগনভূঁঞা ও ফেনী সদর উপজেলার প্রায় দেড় লাখ মানুষ পানিবন্দী হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে। বন্যা কবলিত হওয়ায় উপজেলার বেশির ভাগ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।

দাগনভূঁঞা উপজেলার ভারপ্রাপ্ত ইউএনও আ স ম জামশেদ খোন্দকার ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমকে জানান, এরই মধ্যে সরকারিভাবে ৩০ টন চাল ও দেড় লক্ষ টাকার শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে। শনিবার আরো ২০ টন চাল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। উপজেলার প্রায় সবকটি বিদ্যালয়ে বন্যার্তদের জন্য আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে।

দাগনভূঞা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান দিদারুল কবির রতন ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমকে জানান, বন্যার্তদের বাড়িঘরে নৌকায় করে ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছে দেয়া হচ্ছে।

দাগনভূঞার রাজাপুর ইউনিয়নের বক্তারপুর গ্রামের মৎস্য খামারের মালিক আজিজুল হক ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমকে মনু জানান, বন্যায় খামারের প্রায় ২০ লাখ টাকার মাছ ভেসে গেছে।

কংকা চৌধুরীস্বদেশের খবর
টানা বর্ষণে সোনাগাজী উপজেলার কাজিরহাটে ১৭ দরজা বিশিষ্ট স্লুইচ গেইটটি ছোট ফেনী নদীর গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার মুছাপুর এলাকার সাগর মোহনায় ৪০ দরজা বিশিষ্ট নতুন স্লুইচ গেইটটির নির্মাণ কাজ অসম্পূর্ণ রয়ে গেছে। তাছাড়া সাগরেরর জোয়ারের পানি এবং কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম সীমান্ত দিয়ে ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি...