বিশেষ প্রতিবেদক ।
কবি ও প্রাবন্ধিক কবি ফরহাদ মজহারকে অপহরণ করে চাঁদা দাবি করার অভিযোগে যে মামলা করা হয়েছিল সে অভিযোগের বিষয়ে সত্যতা পায়নি মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
গতকাল মঙ্গলবার আদালতে দাখিল করা পুলিশের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে এ কথা জানানো হয়েছে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক মাহাবুবুল ইসলাম ওই প্রতিবেদন দাখিল করেন। একই সঙ্গে মিথ্যা তথ্য দিয়ে মামলা করার অভিযোগে ফরহাদ দম্পতির বিরুদ্ধে পাল্টা মামলার আবেদন করেন তিনি। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাধারণ নিবন্ধন শাখার কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) নিজাম উদ্দিন।

এসআই নিজাম বলেন, ফরহাদ মজহারের স্ত্রী ফরিদা আখতারের করা মামলার সত্যতা পাওয়া যায়নি। আসল ঘটনা ওই মামলায় আড়াল করা হয়েছে। ফরহাদ দম্পতির বিরুদ্ধে করা মামলার শুনানি আগামী ৭ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে।

গত ৩ জুলাই ভোরে শ্যামলীর রিং রোডের ১নং হক গার্ডেনের বাসা থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হন ফরহাদ মজহার। পরে স্ত্রীকে নিজের মোবাইল ফোনে জানান, কে বা কারা তাকে ধরে নিয়ে যাচ্ছে। তাকে মেরেও ফেলা হতে পারে। সন্ধ্যা পর্যন্ত ছয়বার কল করে ৩৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়।

নিখোঁজ হওয়ার সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাত্ক্ষণিক উদ্যোগ নিয়ে মোবাইল ফোন ট্র্যাকিং করে তার অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হয় এবং ১৯ ঘণ্টা পর যশোরের অভয়নগরে হানিফ পরিবহনের বাস থেকে তাকে উদ্ধার করে পুলিশ। ওই দিন রাতেই স্ত্রী ফরিদা আক্তার বাদী হয়ে আদাবর থানায় একটি অপহরণ মামলা করেন।

ফৌজদারি দণ্ডবধির ২১১ ধারায় মিথ্যা মামলা দায়েরের শাস্তির বিষয়ে বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে কেউ কোনো অভিযোগ করলে অথবা কোনো অপরাধ করেছে বলে মিথ্যা মামলা করলে মামলা দায়েরকারীকে দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড কিংবা উভয় দণ্ড দেওয়া যাবে।
খবর ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমের।

http://crimereporter24.com/wp-content/uploads/2017/11/425.jpghttp://crimereporter24.com/wp-content/uploads/2017/11/425-300x300.jpgশিশির সমরাটআইন-আদালত
বিশেষ প্রতিবেদক । কবি ও প্রাবন্ধিক কবি ফরহাদ মজহারকে অপহরণ করে চাঁদা দাবি করার অভিযোগে যে মামলা করা হয়েছিল সে অভিযোগের বিষয়ে সত্যতা পায়নি মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। গতকাল মঙ্গলবার আদালতে দাখিল করা পুলিশের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে এ কথা জানানো হয়েছে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক মাহাবুবুল ইসলাম...