1438332900
বাগেরহাটের ফকিরহাট ও আশপাশ অঞ্চলসমূহে বাগদা ও গলদা চিংড়িতে ভাইরাস আক্রমণ করেছে। এতে দিশেহারা হয়ে পড়েছে ঘের মালিকরা। নদী ও খালে জোয়ারের পানি সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হওয়াসহ নানা কারণে মাছের ঘেরে মড়ক লেগে চিংড়ি মারা যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় চাষীরা।

সরেজমিনে মাছ চাষীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, ঐ এলাকায় বাগদা ও গলদা ঘেরে গত ১৫/২০দিন আগে থেকে হঠাত্ মাছ মরতে শুরু করেছে। মাছের শরীরের বিভিন্ন অংশে কালো চিহ্ন দেখা দিয়েছে।

অনেক চাষীরা অভিযোগ করে ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমকে বলেন, বাজারে ভেজাল খাবার ও মাছের পোনায় ভাইরাস থাকাসহ চলতি বছর নদীর পানিতে লবণের তীব্রতা বেশি হওয়ায় পানিতে বিষক্রিয়া সৃষ্টি হয়ে ঘেরে মড়ক লেগেছে। উপজেলা মত্স্য কর্মকর্তাদের তদারকি না থাকায় মাছের পোনা ও মাছের খাবারে ভেজাল এবং নিম্নমানের হওয়ায় প্রতিবছর ক্ষতি হয় এমন অভিযোগও করেছেন একাধিক চাষী।

মত্স্য অফিস সূত্র জানায়, ফকিরহাট উপজেলার আটটি ইউনিয়নে মোট গলদা চিংড়ি চাষ করা হচ্ছে পাঁচ হাজার ৯৯৬টি ঘেরে ২৬৪০.৪ হেক্টর ও বাগদা চিংড়ি ২৮৭২টি ঘেরে ১২৯১ হেক্টর জমিতে। একই ঘেরে মিশ্রচাষ করায় অর্থাৎ গলদা-গলদা ও সাদা মাছ একত্রে চাষ করার কারণে বিভিন্ন সমস্যার সৃষ্টি হয়। অন্যদিকে ফসলি জমিতে মাছ চাষ করার ফলে ফসল কাটার পর গোড়া পানিতে নষ্ট হয়ে বিষক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। সনাতন পদ্ধতিতে মত্স্য চাষ করায় তারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

ফকিরহাট সদর ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সধারণ সম্পাদক শিরিনা আক্তার ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমকে বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও নানা প্রতিকূলতার মধ্যদিয়ে মত্স্য চাষীরা এ মৌশুমে আশার আলো দেখতে শুরু করেছিল। জলাবন্ধতার সাথে অজ্ঞাত রোগে মাছ মরে এখন চাষীরা দিশেহারা।

এ ব্যাপারে উপজেলা কর্মকর্তা মোঃ ইফতেখারুল আলম ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমকে বলেন, বাগদা ঘেরে ভাইরাস লাগার বিষয়টি কোনো ঘের মালিক বা চাষী সরাসরি এসে বলেনি। তবে তিনি ভাইরাস লাগার বিষয়টি খতিয়ে দেখবেন বলে জানান।

অর্ণব ভট্টপ্রথম পাতা
বাগেরহাটের ফকিরহাট ও আশপাশ অঞ্চলসমূহে বাগদা ও গলদা চিংড়িতে ভাইরাস আক্রমণ করেছে। এতে দিশেহারা হয়ে পড়েছে ঘের মালিকরা। নদী ও খালে জোয়ারের পানি সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হওয়াসহ নানা কারণে মাছের ঘেরে মড়ক লেগে চিংড়ি মারা যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় চাষীরা। সরেজমিনে মাছ চাষীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, ঐ এলাকায়...