c_1-150x84
আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে ঢাকা মহানগরীর ভেতরে ও বাইরের এলাকার মন্দিরগুলোতে নেয়া হচ্ছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। নির্বিঘে পূজা পালনের জন্য প্রতিটি মন্ডপে বসানো হচ্ছে ক্লোজ সার্কিট (সিসি) ক্যামেরা। এছাড়া নিরাপত্তায় মাঠে থাকছে র‌্যাব, পুলিশ, সাদা পোশাকের পুলিশ, ডিবি, সিআইডি ও আনসারসহ আইনশৃঙ্খলায় নিয়োজিত বাহিনীর অন্যান্য সদস্যরাও।

ইভটিজারদের হাত থেকে নারীদের রক্ষায় প্রতিটি মন্দির কমিটির সদস্য ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয়ে কমিটি গঠন করা হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমকে জানায়, হিন্দু সম্প্রদায়ের বড় এ উৎসবকে স্বাচ্ছ্যন্দময় করতে পুলিশের পক্ষ থেকে নেয়া হয়েছে নানা পদক্ষেপ। সম্প্রতি পুলিশের সদর দপ্তরে ডিএমপি পুলিশের কর্মকর্তাদের নিয়ে ক্রাইম কনফারেন্সে পূজার সার্বিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।

সেখান ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার (ডিএমপি) আছাদুজ্জামান মিয়া পূজায় নিরাপত্তা ব্যবস্থার ব্যাপারে নানা নির্দেশনা দেন। পূজায় কিভাবে নিরাপত্তা দেয়া হবে এবং পূজা শুরুর আগে, পরে এবং শেষের দিন কিভাবে কাজ করবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সেজন্য প্রতিটি থানা ও জোনের কর্মকর্তাকে নির্দেশনা দেওয়া হয়।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, এবার পূজায় প্রতিটি মন্দিরে দেওয়া হবে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ। এজন্য বিদ্যুৎ বিভাগকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিদ্যুৎ চলে গেলে তা ব্যাকআপ দেয়ার জন্য মন্দির কমিটিকেও বলা হয়েছে।

সকল ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে বড় বড় মন্দির ছাড়াও প্রতিটি মন্দিরের মন্ডপে মন্ডপে বসানো হবে সিসি ক্যামেরা।

পূজায় প্রতি বছরই ঘটে ইভটিজিং ও ছিনতাইয়ের ঘটনা। ফলে নারীদের নিরাপত্তার বিষয়টি কঠোরভাবেই দেখছে ডিএমপি। ইভটিজার ও ছিনতাইকারীদের নিবৃত্ত করতে মাঠে পুলিশ ছাড়াও থাকবে সাদা পোশাকধারী ডিবি ও সিআইডির সদস্যরা। কেউ অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটানোর চেষ্টা করলেই তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সার্বিক নিরপত্তার জন্য প্রতিটি মন্দিরে গঠন করা হয়েছে কমিটি। মন্দির কমিটির সদস্য, সেই এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয়ে এ কমিটি গঠন করা হয়েছে। আর সেই কমিটির লোকেরাই সবসময় আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে সার্বক্ষনিক যোগযোগ রাখবেন।

জঙ্গি সংগঠন বা উগ্রবাদী কোনো গোষ্ঠী যেন নাশকতা ঘটাতে না পারে সেজন্য সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। যেসব জঙ্গি সংগঠন এখনও সক্রিয় রয়েছে তাদের ব্যাপারে নজরদারি বাড়াতে বলা হয়েছে।

অপরদিকে নাশকতা ঠেকাতে নাশকতাকারীদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থাও নেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে পুলিশের পক্ষ থেকে। এরই অংশ হিসাবে এবার রাজধানীর প্রতিটি মাদ্রাসায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে পুলিশের সম্পর্ক বাড়ানোর ব্যাপারে দেয়া হয়েছে জোর তাকিদ।

পূজা শুরু আগেই প্রতিটি মন্দির পরিদর্শন করেছেন সেই এলাকা, জোন ও থানার এসি, ডিসি ও ওসিরা।

ঢাকা মহানগর পুলিশের গণমাধ্যম শাখার উপ-কমিশনার মুনতাসিরুল ইসলাম ক্রাইম রিপোর্টার ২৪.কমকে বলেন, পূজায় নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তা দিতে মাঠে অতিরিক্ত ফোর্স ছাড়াও সাদা পোশাকের পুলিশ সদস্যরা থাকবেন। কেউ অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটানোর চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

http://crimereporter24.com/wp-content/uploads/2015/10/c_1-150x84.jpghttp://crimereporter24.com/wp-content/uploads/2015/10/c_1-150x84.jpgনৃপেন পোদ্দারপ্রথম পাতা
আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে ঢাকা মহানগরীর ভেতরে ও বাইরের এলাকার মন্দিরগুলোতে নেয়া হচ্ছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। নির্বিঘে পূজা পালনের জন্য প্রতিটি মন্ডপে বসানো হচ্ছে ক্লোজ সার্কিট (সিসি) ক্যামেরা। এছাড়া নিরাপত্তায় মাঠে থাকছে র‌্যাব, পুলিশ, সাদা পোশাকের পুলিশ, ডিবি, সিআইডি ও আনসারসহ আইনশৃঙ্খলায় নিয়োজিত বাহিনীর অন্যান্য সদস্যরাও। ইভটিজারদের হাত থেকে...