1437029297
আমাদের দেশে সহজলভ্য ফলগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো পেয়ারা। ফলটি শুধু খেতেই সুস্বাদু নয়, বরং পুষ্টিগুণেও অতুলনীয়। এতে প্রচুর পরিমাণে পানি, কার্বোহাইড্রেট, ফাইবার, প্রোটিন, ভিটামিন-এ, ভিটামিন-কে, ভিটামিন-বি, খনিজ পদার্থ, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ফসফরাস, ক্যালসিয়াম ইত্যাদি উপাদান রয়েছে। এগুলো শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি সুস্থ থাকতে সহায়তা করে। একইসঙ্গে ত্বক, চুল এবং চোখের পুষ্টি জোগাতেও ভালো কাজ করে এটি। কাজেই সুস্থ থাকতে প্রতিদিনই পেয়ারা খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা উচিত।

জেনে নিন পেয়ারার আরও নানা স্বাস্থ্য উপকারিতার কথা-

ডায়রিয়া প্রতিরোধ করে
পেয়ারায় অ্যাস্ট্রিজেন নামক একটি উপাদান রয়েছে যা ডায়রিয়া প্রতিরোধে সাহায্য করে। এতে ভিটামিন সি, ক্যারোটিনয়েডস, পটাশিয়াম এবং অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান থাকায় তা হজম শক্তিকে বাড়াতেও ভালো কাজ করে।

চোখের যত্নে
পুষ্টিসমৃদ্ধ ফল পেয়ারায় ভিটামিন-এ থাকায় তা বয়সের সঙ্গে জড়িত নানা রোগ যেমন- অ্যালঝেইমার, ছানি, রিউমেটেড, আথ্রাইটিস প্রতিরোধে সাহায্য করে। এছাড়া রাতকানা প্রতিরোধ করে দৃষ্টিশক্তি বাড়াতেও ভূমিকা রাখে এটি।

মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য ভালো রাখে
পেয়ারায় ভিটামিন বি৩ (নিয়াসিন) এবং ভিটামিন বি৬ (পাইরোডক্সিন) নামে এমন দুটি উপাদান রয়েছে মাথার রক্ত চলাচলের উন্নতি সাধন করে। ফলে সহজেই মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য ভালো থাকে।

থাইরয়েড নিয়ন্ত্রণ করে
পেয়ারায় কপার থাকায় তা থাইরয়েড নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। এছাড়া এটি হরমোনের উৎপাদন এবং শোষণ নিয়ন্ত্রণেও ভূমিকা রাখে।

ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করে
এতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার রয়েছে যা টাইপ-২ ডায়াবেটিস প্রতিরোধে ভূমিকা রাখে। কাজেই ডায়াবেটিসে সুস্থ থাকতে পেয়ারা খাওয়ার বিকল্প নেই।

কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে
ফাইবার সমৃদ্ধ পেয়ারা শরীরে পানি ধরে রাখে এবং অন্ত্রকে পরিষ্কার রাখে। ফলে সহজেই কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়।

স্নায়ুকে বিশ্রাম দেয়
পেয়ারা ম্যগনেসিয়াম সমৃদ্ধ খাদ্য হওয়ায় তা স্নায়ুগুলোকে বিশ্রামে রাখতে সাহায্য করে। একইসঙ্গে এটি শরীরের মাংসপেশীগুলোকে বিশ্রামে রাখতে ভূমিকা পালন করে।

গর্ভবতী নারীদের জন্য
ডাক্তাররা গর্ভবতী নারীদের বেশি করে পেয়ারা খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি৯ তথা ফলিক অ্যাসিড রয়েছে যা স্নায়ুজনিত যে কোন সমস্যা দূর করে গর্ভোজাত শিশুদের সুস্থ রাখে।

গর্ভধারণ ক্ষমতা বাড়াতে
পেয়ারা ফলেটের একটি বড় উৎস যা গর্ভধারণে সক্ষমতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

পুষ্টি গ্রহণে
পেয়ারায় ম্যাঙ্গানিজ নামক উপাদান থাকায় তা দ্রুত পুষ্টি গ্রহণে সহায়তা করে। আমরা প্রতিনিয়ত যেসব খাবার খাই এগুলো থেকে প্রয়োজনীয় বায়োটিন, ভিটামিন এবং মিনারেল গ্রহণে সাহায্য করে এই খাবারটি।

সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে
পেয়ারা সর্দি-কাশি উপশমে সাহায্য করে। একইসঙ্গে এটি শ্বাসতন্ত্রের নানা সমস্যা প্রতিরোধেও ভূমিকা রাখে।

ওজন কমাতে
এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, প্রোটিন, তন্তু এবং মিনারেল রয়েছে। এছাড়া পেয়ারায় কোন কোলেস্টেরল না থাকায় তা ওজন কমাতে ভূমিকা রাখে।

ক্যান্সার প্রতিরোধ করে
এতে ভিটামিন সি এবং লাইকোপ্রোটিন নামে এমন একটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে যা প্রোটেস্ট এবং স্ত্যান ক্যান্সারের ঝুঁকি থেকে আমাদের রক্ষা করে।

ত্বকের যত্নে
পেয়ারায় ভিটামিন, মিনারেল এবং আরও অনেক পুষ্টি উপাদান থাকায় তা ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা ধরে রাখে। শুধু তাই নয়, ব্রণ, কালো দাগসহ মুখের বলিরেখা দূর করতেও ভূমিকা রাখে এটি।

তারুণ্য ধরে রাখে
ভিটামিন এ, বি, সি এবং পটাশিয়ামের ভালো উৎস হলো পেয়ারা। এগুলো ত্বককে শুধু সুস্থ রাখতেই সাহায্য করে না, একইসঙ্গে ত্বকের তারুণ্যও বজায় রাখে।

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে
পেয়ারায় বিদ্যমান পটাশিয়াম রক্তে ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।

চুল পড়া কমায়
এতে ভিটামিন সি রয়েছে যা চুলকে স্বাস্থ্য চুলের বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। একইসঙ্গে চুল পড়া সমস্যার সমাধানেও ভূমিকা রাখে।

দাতেঁর যত্নে
দাঁতের যে কোন সমস্যা যেমন-মাড়ি ফোলা এবং আলসার প্রতিরোধে সাহায্য করে পেয়ারা। এক্ষেত্রে পেয়ারা পাতার রস বেটে খেলে ভালো উপকার পাওয়া যায়।

হীরা পান্নাস্বাস্থ্য কথা
আমাদের দেশে সহজলভ্য ফলগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো পেয়ারা। ফলটি শুধু খেতেই সুস্বাদু নয়, বরং পুষ্টিগুণেও অতুলনীয়। এতে প্রচুর পরিমাণে পানি, কার্বোহাইড্রেট, ফাইবার, প্রোটিন, ভিটামিন-এ, ভিটামিন-কে, ভিটামিন-বি, খনিজ পদার্থ, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ফসফরাস, ক্যালসিয়াম ইত্যাদি উপাদান রয়েছে। এগুলো শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি সুস্থ থাকতে সহায়তা করে। একইসঙ্গে ত্বক, চুল...