1441622257
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে যথাযথ ধর্মীয় মর্যাদায় জন্মাষ্টমী উদযাপন করেছে হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা। এ উপলক্ষে হাভান যজ্ঞ, প্যারেড, শ্রীকৃষ্ণের প্রতিকৃতি স্থাপন, পূজা, গীতা পাঠ, কীর্তন, ধর্মীয় সংগীত, আশীর্বাদ প্রদান, উপবাস ভাঙন ও প্রসাদ বিতরণ করা হয়

জ্যামাইকার মহামায়া মন্দিরে জন্মাষ্টমীর অনুষ্ঠানসূচিতে ছিল সকাল ১০টা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত পারিবারিক ও শান্তির জন্য হাভান যজ্ঞ। বিকেল পাঁচটায় জন্মাষ্টমী শোভাযাত্রা পালন করা হয়। শোভাযাত্রাটি জ্যামাইকার ১৫০ স্ট্রিট ও হিল সাইড অ্যাভিনিউর বাবা বালকনাথ মন্দির থেকে শুরু হয়ে ১০৪-১৪ লিভারপুল স্ট্রিটের মহামায়া মন্দিরে শেষ হয়। জন্মাষ্টমী শোভাযাত্রায় যোগ দিতে জ্যামাইকার আশেপাশের ভক্ত ছাড়াও কুইন্স, বু্রকলিন ও ব্রঙ্কস থেকে বিপুলসংখ্যক ভক্ত অংশ নেন।

1441622257_0
শোভাযাত্রা শেষে মহামায়া মন্দিরে আগত সকল ভক্তবৃন্দ ও হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের জন্মাষ্টমীর শুভেচ্ছা জানিয়ে বক্তব্য দেন মন্দিরের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ডা. অশোক সাহা, সদস্য দিলীপ নাথ, শোভাযাত্রা কমিটির আহ্বায়ক গোবিন্দ দাস, যুগ্ম আহ্বায়ক রাজেন সাহা, সহদেব তালুকদার, অনুপ চৌধুরী, স্বপন কর্মকার, প্রদীপ ভট্টাচার্য্য, প্রণব চক্রবর্তী প্রমুখ।

সভাপতি শ্যামল চক্রবর্তী বলেন, পাশবিক শক্তি যখন সত্য সুন্দর ও পবিত্রতাকে গ্রাস করতে উদ্যত হয়েছিল, তখন সেই অসুন্দরকে দমন করে মানবজাতিকে রক্ষা এবং শুভশক্তিকে প্রতিষ্ঠার জন্য মহাবতার ভগবান শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব ঘটে।

1441622257_1
সাধারণ সম্পাদক প্রদীপ দাস বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন যে বাংলাদেশে হিন্দুরা সংখ্যালঘু নয়। আমরা সবার সঙ্গে ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রেখে চলব এবং ধর্মকে মানব কল্যাণের জন্য নিবেদন করব ।

এদিকে জ্যাকসন হাইটসের ওঁমশক্তি মন্দিরে লীলা পুরুষোত্তম ভগবান শ্রীকৃষ্ণের ৫২৪২তম জন্মতিথি উপলক্ষে শুভ জন্মাষ্টমী উত্সবের আয়োজন করে। তাদের অনুষ্ঠানসূচিতে ছিল সন্ধা ছয়টা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত শিশু-কিশোরদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা। রাত আটটায় সন্ধ্যারতি। রাত আটটা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত চলে কৃষ্ণলীলা। এতে অংশ নেন ঢাকা থেকে আসা সঙ্গীত শিল্পী লতিফ সরকার, লিপি সরকার, শফিক ও নয়ন। এছাড়াও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে স্থানীয় শিল্পীরা অংশগ্রহণ করেন। সবশেষে ছিল রাত ১২টায় গোপালের স্নান ও অভিষেক। সারাদিনব্যাপী আগত ভক্তদের প্রসাদ পরিবেশন করা হয়।

1441622258_2
জন্মাষ্টমীর আলোচনা অনুষ্ঠানে ডা. অশোক সাহা বলেন, শ্রীকৃষ্ণ আবির্ভূত হয়েছিলেন দুষ্টের দমন আর শিষ্টের পালন করতে।

গৌরাঙ্গ কুন্ডু বলেন, শুধু দুষ্টের দমনই নয়, এক শান্তিময় বিশ্বপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে প্রবাসী সবাইকে নিয়ে আগামীতে আরো বড় আকারে জন্মাষ্টমী উদযাপন করা হবে।

অসীম দে শংকর বলেন, বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। এই সমপ্রীতি ছিল, আছে এবং চিরদিন থাকবে।

তিনি বলেন, এ দেশে সব ধর্মের মানুষ একে অন্যের উত্সব-পার্বণে মিলেমিশে পালন করে। মানুষের ঐক্যই হচ্ছে দেশের বড় শক্তি।

তাহসিনা সুলতানাপ্রবাস জীবন
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে যথাযথ ধর্মীয় মর্যাদায় জন্মাষ্টমী উদযাপন করেছে হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা। এ উপলক্ষে হাভান যজ্ঞ, প্যারেড, শ্রীকৃষ্ণের প্রতিকৃতি স্থাপন, পূজা, গীতা পাঠ, কীর্তন, ধর্মীয় সংগীত, আশীর্বাদ প্রদান, উপবাস ভাঙন ও প্রসাদ বিতরণ করা হয় জ্যামাইকার মহামায়া মন্দিরে জন্মাষ্টমীর অনুষ্ঠানসূচিতে ছিল সকাল ১০টা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত পারিবারিক ও...